চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি ও সাতক্ষীরা সদরে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছে। পুলিশ বলছে, গতকাল শুক্রবার বায়েজিদ বোস্তামি থানার মাঝের ঘোনা এলাকায় নিহত মো. এমদাদ (৩৮) হকার সমিতির নেতা মো. রিপন হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি ছিল। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমানের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার দামারপোতা এলাকায় নিহত জাকির হোসেনের (৩৫) বিরুদ্ধে হত্যা ও ডাকাতিসহ ১৩টি মামলা রয়েছে। সে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য ছিল।
বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি প্রিটন সরকার বলেন, গত মঙ্গলবার ছুরিকাঘাতে নিহত রিপন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি ছিল এমদাদ। তাকে বৃহস্পতিবার রাতে বায়েজিদের শেরশাহ এলাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বায়েজিদ জোনের সহকারী কমিশনার পরিত্রাণ তালুকদার বলেন, এমদাদকে নিয়ে ভোরের দিকে অস্ত্র উদ্ধারে যায় পুলিশ। মাঝের ঘোনা এলাকায় গেলে তাকে ছিনিয়ে নিতে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও তখন পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় ও এমদাদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এমদাদকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি ও কার্তুজ এবং ছুরি-চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার দামারপোতা গ্রামের গণঘেরের সামনে ওয়াপদা রাস্তার ওপর একদল ডাকাত সমবেত হয়েছে এ সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় জাকির বাহিনীর সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। দুপক্ষের গোলাগুলির মধ্যে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য জাকির গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এ সময় তার অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, জাকির মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, চোরাচালান, ঘের দখল ও ডাকাতিসহ ১৩টি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি ও দুটি ছুরি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন।
