রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ঢুকতে হলে পরিচালকের অনুমতি নেওয়া লাগবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। তিনি বলেছেন, ‘এখানে মুমূর্ষু থেকে অনেক ধরনের রোগী থাকে। তাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ও সংক্রমণের বিষয় ভাবতে হয়। এজন্য সবাইকে সব জায়গায় ঢুকতে দেওয়া সম্ভব না। শুধু রামেক কিংবা বাংলাদেশ নয়, গোটা বিশ্বেই এ ব্যবস্থা রয়েছে।’
গতকাল শনিবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রায় পাঁচ বছর রামেক কর্র্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে। বিষয়টি জানানো হলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালে অনেক ধরনের অসুখবিসুখ থাকে। বেশি দর্শনার্থী থাকলে রোগীদের নানা জটিলতা দেখা দেয়। বিষয়টি আপনাদের দেখা দরকার। সবারই দায়িত্ব।’
মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ‘উন্নয়নের দিক থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল সব সময় অগ্রাধিকার পায়। এটি অব্যাহত থাকবে। হাসপাতালে দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি দেওয়া হবে। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের শয্যা দ্বিগুণ করা হবে। একটি গাড়ি ও প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘চলতি বছরই রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হবে। এজন্য তিনটি জায়গা দেখে নকশা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এজন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়কেও দরকার। ডিপিপি চূড়ান্ত হবে সার্ভের পর। রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভের কাজ একসঙ্গে হচ্ছে। এরপরই আমরা প্রকল্পটি একনেকে নেব। আশা করছি নতুন করে অর্থ বরাদ্দ হলে দ্রুত অবকাঠামোর কাজ শুরু করা হবে।’
রামেক অধ্যক্ষ ডা. নওশাদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিলুর রহমান, রাজশাহী-৫ আসনের এমপি ডা. মনসুর রহমান প্রমুখ।
