থাইল্যান্ডের বাজারে বাংলাদেশের আরও ৩৬টি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। গতকাল থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত দু’দিনব্যাপী যৌথ বাণিজ্য কমিটির বৈঠকে মন্ত্রী এ দাবি জানান।
থাইল্যান্ড বাংলাদেশের বেশকিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে। তবে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলো এখনো এ সুবিধার বাইরে রয়েছে। এ কমিটির বিভিন্ন বৈঠকে বাংলাদেশ প্রধান পণ্যগুলোতে শুল্কমুক্ত সুবিধা চেয়ে আসছে। অন্যদিকে থাইল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরে দুই পক্ষেরই সম্মতি রয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আরও ৩৬টি পণ্য থাইল্যান্ডে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলে উভয় দেশের বাণিজ্য বাড়বে। এতে থাইল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি কমবে। এছাড়া থাইল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভিসা পাওয়া আরও সহজ করার প্রস্তাব করেছেন মন্ত্রী।
থাইল্যান্ডের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, থাইল্যান্ড যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে উন্নতমানের হসপিটাল নির্মাণ করলে সরকার সহায়তা করবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে ৪ কোটি ৪০ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময় দেশটি থেকে আমদানি করেছে ৯৫ কোটি ২৪ লাখ ডলারের পণ্য। বাংলাদেশ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, সামদ্রিক মৎস্য, কাগজ ও কাগজের পাল্প, সাবান, প্লাস্টিক পণ্য ও রাবার রপ্তানি করছে। শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পেলে দেশটিতে রপ্তানি বাড়বে।
