বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) কখনো শিরোপা ছোঁয়া হয়নি মুশফিকুর রহিমের। একটু কি অবাক করে বিষয়টা? দেশের অন্যতম সেরা এই তারকা এবার অধরা সেই শিরোপা থেকে মাত্র একধাপ দূরে দাঁড়িয়ে।
শুক্রবার রাজশাহী রয়্যালসের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ফাইনালে লড়বে মুশফিকের নেতৃত্বাধীন খুলনা টাইগার্স। বিপিএলের সপ্তম আসরে এই প্রথম ফাইনালের মঞ্চে মুশফিক। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা ৭টায়।
বিপিএল ফাইনালের আগে বৃহস্পতিবার মিরপুরে দুই দলের অধিনায়ক আসরের ট্রফি উন্মোচন করেন। সোনালি সেই ট্রফিটা যে দুজনই নিজের করে নিচে চান, তা বোঝা যাচ্ছিল এদিন দুজনের অভিব্যক্তি দেখেই।
মুশফিক অবশ্য ফাইনাল নিয়ে সংবাদমাধ্যমে কোনো কথা বলেননি এদিন। তবে টুর্নামেন্ট জুড়ে মুশফিকের ব্যাট হেসেছে দারুণ ভাবে। ফাইনালের আগ পর্যন্ত আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। একদিক থেকে এবারের শিরোপা তিনি দাবি রাখেন। দলটির কোচ জেমস ফস্টার তো বললেন, সেই লক্ষ্যেই মাঠে নামবেন তারা।
দলগত দিক থেকে মুশফিকের বিপিএলে সেরা সাফল্য শুরুর দুই আসরে তৃতীয় হওয়া। ২০১২ সালে দুরন্ত রাজশাহী ও ২০১৩ সালে সিলেট রয়্যালসের হয়ে খেলেছিলেন মুশফিক। দুইবারই তৃতীয় হয় তার দল। ২০১৫ সালে মুশফিকের দল সিলেট সুপারস্টার হয় পঞ্চম।
২০১৬ সালে বরিশাল বুলসের হয়ে খেলেন মুশফিক। সেবার সপ্তম হয় তার দল। ২০১৭ সালে রাজশাহী কিংসের হয়ে ষষ্ঠ ও ২০১৯ সালে চট্টগ্রাম ভাইকিংসের হয়ে হন চতুর্থ। এবার মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বিশেষ বিবিএলে মুশফিক প্রথমবারের মতো ফাইনালের স্বাদ পাচ্ছেন।
তবে তার কাজটা যে সহজ হবে না সেটা রাজশাহীর পারফরম্যান্সের দিকে তাকালেই বোঝা যাবে। টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত খেলা চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা পেয়েছে তারা।
রাজশাহীর অধিনায়ক রাসেল তো বলেই দিলেন, ‘আমরা শিরোপা ছাড়া অন্য কিছু ভাবছি না।’
মুশফিক না রাসেল, তাহলে কার হাতে উঠবে শিরোপা?