করোনাভাইরাস এবার ভারতে হানা দিয়েছে বলে শঙ্কা করা হচ্ছে। হালকা সর্দি-কাশি নিয়ে চীন থেকে দেশটিতে ফেরা ১১ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এদের মধ্যে ৭ জন কেরালার, ২ জন মুম্বাইয়ের, একজন বেঙ্গালুরু ও আরেকজন হায়দরাবাদের হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
কেরালার এক কর্মকর্তা বলেন, ‘৭ জন চীন থেকে ফিরেছেন। তাদের সর্দি-কাশির হালকা উপসর্গ রয়েছে। সবাইকে আইসোলেশন বিভাগে রেখে তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।’
নতুন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে ১০০০ জন সংক্রমিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে সতর্কতা জারি করেছে।
ভাইরাসটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে বিজ্ঞানীরা দিনরাত গবেষণা করছেন। চীনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিকভাবে বলা হচ্ছে, আক্রান্ত ব্যক্তি শুরুতে ফ্লুর মতো অসুস্থতায় পড়ছেন। নিরাপদ থাকতে দিনে নিয়মিত হাত ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মানুষ থেকে মানুষে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন চীনের চিকিৎসকেরা। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি, তীব্র জ্বর এবং শ্বাসকষ্টে ভুগছেন।
আমেরিকার লেডি অফ লরডেস হাসপাতালের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ বলছেন, ‘নতুন ভাইরাসটি নভেল করোনাভাইরাস (nCoV)। শ্বাসযন্ত্রের সিনড্রোম করোনাভাইরাস থেকে এটি আলাদা।’
‘মানুষসহ অন্য প্রাণীর মাধ্যমেও এটি ছড়াতে পারে। তবে ঠিক কোন প্রাণীর মাধ্যমে ছড়াচ্ছে, সেটি বোঝা যাচ্ছে না।’
ভাইরাসটি শুরুতে ফুসফুস আক্রমণ করে। যার কারণে প্রদাহ হয়। এক সময় রক্তে ছড়িয়ে পড়ে।
