ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) প্রিজাইডিং কর্মকতার ১ শতাংশ ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. আলমগীর।
তিনি বলেন, ইভিএমে ভোট দিতে যেহেতু ভোটারের আঙুলের ছাপ লাগবে, সেহেতু এতে জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই।
ইসি সচিব বলেন, যদি কারো আঙুল না থাকে তাহলে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী ওই ব্যক্তি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন। এ ধরনের ঘটনায় মাত্র এক শতাংশ ভোটারদের শনাক্ত করতে পারবেন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা।
মো. আলমগীর বলেন, এক শতাংশের বেশির প্রয়োজন হলে রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে। আরো বেশি লাগলে কমিশনের অনুমতি লাগবে। পরবর্তীতে চাইলে এই ইভিএমের তথ্য জানা যাবে।
আইডি কার্ড মিলেছে, আঙুলের ছাপ মিলছে না বা আঙুল নেই- এমন ভোটারদের ক্ষেত্রে এ সুযোগ ব্যবহার করা যাবে বলে জানান তিনি।
মো. আলমগীর বলেন, ভোটের তথ্য আমাদের কাছে ডিজিটালি সংরক্ষণ করা থাকে। মামলা করারও সুযোগ রয়েছে। কেউ ইচ্ছা করলে এ নিয়ে আদালতেও যেতে পারেন। কেউ চ্যালেঞ্জ করলে তথ্য দেখান যাবে।
মঙ্গলবার ইভিএম প্রদর্শন এবং মক ভোটিংয়ের ব্যবস্থা রাখে নির্বাচন কমিশন। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুপুরে নির্বাচন ভবনে তিনি এসব বলেন।
তিনি বলেন, এটা ওপেন, যে কেউ এসে দেখতে পারে। নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে ইভিএম দেওয়া রয়েছে, দেখতে পারেন। ইভিএম প্রদর্শনী ও মক ভোটিং রয়েছে ১ ফেব্রুয়ারির আগেও। এতে কোনো জাল-জালিয়াতির সুযোগ নেই।
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা ইভিএম দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলেও জানান ইসি সচিব।
ঢালাওভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব জানান, সুনর্দিষ্টভাবে কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাতে বড় ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে এমন নয়। দুটি ঘটনা উত্তর ও দক্ষিণে রয়েছে। দুটো ঘটনাই অতর্কিতে হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশকে না জানিয়ে পথসভা হয়েছে; এটা নিয়ে দুই দলের সঙ্গে কমিশনের কথা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা না করার জন্য বলা হয়েছে। রিটার্নিং অফিসারকেও নির্দশনা দেওয়া হয়েছে। ছোটোখাটো জিনিস থেকে এসব হয়েছে।
মাইকিং, লেমিনেটেড পোস্টার নিয়ে আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
