বিশেষ প্রতিনিধি
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির করপোরেশন নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শেষ হচ্ছে আজ ৩০ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত ১২টায়। এর মধ্য দিয়ে গত ১০ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে গত ২০ দিন ধরে চলা মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের উৎসবমুখর প্রচার ও গণসংযোগ শেষ হচ্ছে। নির্বাচনকে নির্বিঘœ করতে আগামীকাল শুক্রবার থেকে মাঠে নামছে বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে এই দুই সিটিতে ভোট হবে।
এখন অপেক্ষা ভোটের। মাত্র এক দিন পরই পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে ভোট দেবেন ভোটাররা। কিন্তু প্রচারণার শেষদিকে এসে উৎসবমুখর ভোটকে ঘিরে কিছুটা হলেও সংশয় তৈরি হয়েছে। দেখা দিয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। নির্বাচনী প্রচারকে ঘিরে গত কয়েক দিনে দুই বড় রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনায় ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েছে।
প্রচারের একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে গতকাল বুধবার ভোটের দিন বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুই মন্ত্রী ও বিএনপির এক শীর্ষ নেতা। তারা পরস্পরের বিরুদ্ধে ভোটের দিন কেন্দ্র পাহারার নামে ঢাকায় ‘সশস্ত্র
সন্ত্রাসীদের’ জড়ো করার অভিযোগ এনেছেন।
এমনকি গতকালও আওয়ামী লীগের উত্তরের মেয়র প্রার্থীর পথসভায় একই দলের দলীয় ও বিদ্রোহী কাউন্সিলরের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় স্বয়ং মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম উপস্থিত থাকলেও তা তোয়াক্কা করেননি এসব কর্মী-সমর্থক। তারা সেখানে ভাঙচুর চালিয়েছে।
ফলে প্রচারের সার্বিক দিক বিবেচনায় ভোটের দিন সংঘর্ষ-সংঘাতের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। সংঘাত-সংঘর্ষ এবং উত্তাপের শঙ্কা রয়েই গেল। প্রচারের শেষ সপ্তাহে দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কয়েক কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণায় একাধিক হামলা ও কর্মীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ভোটার ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা। একদিকে দুই সিটি করপোরেশনের বিএনপির দুই মেয়র প্রার্থী ও বিএনপি নেতারা দাবি করেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিএনপির মেয়র প্রার্থীদের পক্ষে জনগণের সাড়া দেখে তাদের নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি দেখাতে প্রচার-প্রচারণায় হামলা করছে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দলের দুই মেয়র ও সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী এবং নেতাদের দাবি, নির্বাচনী পরিবেশ বিঘœ ঘটাতে বিএনপির প্রার্থীরা মিথ্যে অভিযোগ করছে এবং নিজেরাই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটাচ্ছে।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচারের প্রথম দিকে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ থাকলেও শেষের দিকে এসে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। যার ফলে শঙ্কার সৃষ্টি দেখা দেয় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে। তাদের মতে, মেয়র প্রার্থীদের চেয়ে এবার কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে সংঘাত বেশি হবে। এরই মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬০ থেকে ৭০টি ওয়ার্ডে বিশৃঙ্খলার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তাদের মধ্যে এসব ওয়ার্ডে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী এবং তাদের বিদ্রোহী প্রার্থীদের (স্বতন্ত্র) মধ্যেই চরম বিরোধ রয়েছে। আর এর সঙ্গে যুক্ত হবে বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীরা।
এমনকি নির্বিঘœ ভোট অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন স্বয়ং নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মাহবুব তালুকদার। তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে দাবি করে চারটি (ইউও নোট) আনঅফিশিয়াল চিঠি দিলেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে মন্তব্য করেছেন যে ইসির অভ্যন্তরেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই।
ভোটের শেষ মুহূর্তে এসে গতকাল ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগসহ মহাজোটের শরিক ১৪ দল বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ভীতি রয়েছে বিএনপির মধ্যে। ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ এনে বিএনপি ব্যালট ভোটিং পদ্ধতিতে ফিরে আসার দাবি জানালেও ঢাকার দুই সিটির সব কেন্দ্রই ইভিএমে ভোট হচ্ছে। জনসাধারণের সঙ্গে ইভিএমের সম্পৃক্ততা বাড়াতে গত দুদিন ভোটকেন্দ্রেগুলোতে ইভিএম প্রদর্শনী হয়েছে। তবে সেখোনে ভোটারদের তেমন উপস্থিতি ছিল না। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সব কেন্দ্রে অনুশীলনমূলক (মক) ভোট হবে। ভোটাররা সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মক ভোট দিতে পারবেন।
ভোট নির্বিঘœ হবে বলে প্রথম থেকেই বলে আসছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা। তার মতে, কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভোটের পরিবেশকে নষ্ট করতে পারবে না। সর্বশেষ গতকাল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছে ইসি। ভোটের দিন নিষ্প্রয়োজনে বা বহিরাগতদের রাজধানী ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, ভোটের দিন ঢাকায় ভোটার ছাড়া কোনো লোক থাকতে পারবে না বা বাইরের কেউ আসতে পারবে না। বিশেষ করে বহিরাগতরা যেন ভোটকেন্দ্রে না আসে। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে জটলার সৃষ্টি না করে।
অথচ এ বহিরাগত নিয়েই শঙ্কা প্রকাশ করেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। গতকাল ভোটের দিন কেন্দ্র পাহারার নামে ‘সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা’ ভোটের পরিবেশে বিঘœ ঘটাতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত ভালো আছে। একটা বিষয় খুব উদ্বেগজনক, সেটা হচ্ছে নির্বাচনকে সামনে রেখে বহিরাগতদের জড়ো করা এবং অস্ত্রধারীরাও এর মধ্যে আছে।’
নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি ‘জরুরি ভিত্তিতে’ দেখার আহ্বান জানিয়ে ক্ষমতাসীন দলের এ নেতা বলেন, আমাদের কাছে ইনফরমেশন আছে বিএনপি সারা বাংলাদেশ থেকে বহিরাগতদের এনে ঢাকায় জড়ো করছে। এদের মধ্যে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, দাগি সন্ত্রাসীরাও রয়েছে। এটা সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে।
অনুরূপ শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। গতকাল রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্ট করার জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্র ও অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। অতীতের মতো নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জ¦ালাও-পোড়াও ও সংঘর্ষের রাজনীতি সৃষ্টি করার পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে।
এর পাল্টা জবাবে ওবায়দুল কাদেরের অভিযোগকে হাস্যকর বলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। গতকাল আর কে মিশন রোডে প্রয়াত মেয়র সাদেক হোসেন খোকার বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সিটি ভোটকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগই অস্ত্র-শস্ত্র ও ৩০ লাখ কর্মীকে বাইরে থেকে এনেছে বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটা অত্যন্ত হাস্যকর। কে না জানে যে বিএনপির প্রার্থীরা, সাধারণ কর্মীরা বাড়িতে থাকতে পারছে না পুলিশের বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে। আমাদের পক্ষে বাইরে থেকে লোক আনা বা কোনো অস্ত্রশস্ত্র জোগাড় করাÑ এটা অসম্ভব বিষয়। এটা আমাদের দ্বারা করা সম্ভবও নয়, এটা আমরা করিও নাই।’
এ সময় বিএনপির এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, এখনো নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাকর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে ঢুকে হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হলেও ন্যূনতম কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না।
এদিকে নানা শঙ্কা সত্ত্বেও ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে দলের নেতাকর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি অধিকাংশ ভোটারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কাজ করছেন বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিতে কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠন করেছে দলটি। এ ব্যাপারে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য ভোট ডাকাতির ঐতিহ্য। ভোটকেন্দ্র দখল, জাল ভোট প্রদান, ব্যালট বাক্স ছিনতাই করা তাদের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় ভোটের দিন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ভোটকেন্দ্রগুলোতে যে তা-ব সৃষ্টি করবে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রশাসন তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
এই নেতা বলেন, বিএনপি ভোটে নেমেছে। ভোটের দিন ভোটারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপির দুই মেয়র প্রার্থী তাদের প্রচারণায় স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি অনুরোধ করেছেন। দুই মেয়র প্রার্থীর বাইরে যারা কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন তারা ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের বাইরে কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠন হয়েছে। কেন্দ্রভিত্তিক কমিটিগুলো কেন্দ্রের আওতাধীন এলাকার ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা, ভোটকেন্দ্রে এজেন্টদের উপস্থিতি নিশ্চিত করাসহ ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবে।
অন্যদিকে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের দুই মেয়র প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করার বিষয়টিকে খুবই গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এজন্য গত মঙ্গলবার দলের সম্পাদকম-লীর সভায় ‘অলআউট খেলার’ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, কাউন্সিলর নিয়ে কাউকেই ব্যস্ত থাকা চলবে না। এ নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সিটি করপোরেশন এলাকার সব সংসদ সদস্যকে নিয়ে আলাদা বৈঠকও করেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীদের বিজয়ে নজর না দিয়ে বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীদের আশকারা দেওয়ার।
বৈঠকে উপস্থিত আওয়ামী লীগের সম্পাদকম-লীর দুই সদস্য বৈঠকে ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে দেশ রূপান্তরকে বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি বাইরে থেকে সন্ত্রাসী ও অস্ত্র মজুদ করছে ঢাকায়। তাই আমাদের সবাইকে সজাগ-সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এখনো সময় আছে আপনারা সবাই আরও বেশি সক্রিয় হোন। প্রচারে ভূমিকা রাখুন।
প্রচার শেষের পাশাপাশি আগামীকাল শুক্রবার রাত ১২টা থেকে ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাস, বেবিট্যাক্সি/সিএনজি অটোরিকশা, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, ট্রাক, টেম্পো, অন্যান্য যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে ইসি। মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে ৩০ জানুয়ারি রাত ১২টা থেকে ২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা পর্যন্ত। তবে মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন যানবাহনে নিষেধাজ্ঞা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের এজেন্ট, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য। এ ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্র থাকতে হবে।
এছাড়া সিটি নির্বাচন উপলক্ষে ২৪ ঘণ্টা ইঞ্জিনচালিত নৌযান বন্ধ থাকবে। ইসির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ আদেশ জারি করেছে। আদেশে বলা হয়, নির্বাচন উপলক্ষে ৩১ জানুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ, ইঞ্জিনচালিত সব ধরনের নৌযান (জনগণ তথা ভোটারদের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত ক্ষুদ্র নৌযান ব্যতীত) এবং স্পিড বোট চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার জন্য জেলা প্রশাসক, সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষকে নির্দেশক্রমে ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।
