ঢাকার দোহারে কার্যালয়ে ঢুকে প্রকৌশলীকে মারধর ও আসবাবপত্র ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। গত রবিবার বিকেলে দোহার উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী কবিরউদ্দিন শাহের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। হামলার পর রাতে আমিনুলসহ অজ্ঞাতপরিচয় চার-পাঁচজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন প্রকৌশলী কবিরউদ্দিন।
দোহার থানায় করা মামলার এজাহারে বলা হয়, রবিবার বিকেলে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণকাজ নিয়ে কথা বলতে প্রকৌশলী কবিরউদ্দিনের কার্যালয়ে যান ছাত্রলীগ সভাপতি আমিনুল। সেখানে দুজনের মধ্যে একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এ সময় আমিনুল ক্ষিপ্ত হয়ে কার্যালয়ের দরজা বন্ধ করে প্রকৌশলী কবিরকে আটকে রেখে
গালিগালাজ করেন। পরে আমিনুলের সঙ্গে থাকা চার-পাঁচজন সহযোগী কবিরকে পিটিয়ে আহত করে এবং অফিস কক্ষের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। প্রকৌশলীর ভাষ্য, হামলার সময় তার চোখে থাকা চশমা ও কার্যালয়ের টেবিলের গ্লাসসহ জিনিসপত্র ভেঙে ফেলে আমিনুল ও তার সহযোগীরা।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আমিনুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘প্রকৌশলী কবিরউদ্দিন শাহের সঙ্গে আমার বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে, কিন্তু পেটানোর কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে দোহার থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
