সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী

৩২ হাজার গার্মেন্ট শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, গত বছর বিজিএমইএর ৬৩ কারখানা বন্ধ হওয়ায় ৩২ হাজার ৫৮২ শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। তবে বিকেএমইএর অধীনে থাকা কোনো কারখানা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়নি। গতকাল জাতীয় সংসদে উত্থাপিত সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি বেগম শামসুন নাহারের মৌখিক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিকেএমইএর ২ হাজার ২০০ কারখানার মধ্যে ৯২০টি সদস্যপদ নবায়ন করেছে। সদস্যপদ নবায়ন না হওয়ায় ১ হাজার ২৮০টি কারখানা বন্ধ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রপ্তানি আদেশ পাওয়ার পর কারখানাগুলো পুনরায় সক্রিয় হতে পারবে।

এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তৈরি পোশাক খাতে ভবিষ্যতে কাজ করবে এমন জনগোষ্ঠীর প্রশিক্ষণের বিষয়টি পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সরকারদলীয় এমপি আনোয়ার হোসেন খানের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২৪ লাখ টন। ২০১৮-১৯ অর্থবছর পেঁয়াজ উৎপাদন হয় ২৩ লাখ ৩০ হাজার টন। এ পণ্য উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত সময় ৩০-৩৫ শতাংশ এবং আমদানিকৃত পেঁয়াজের মানের ভিন্নতা অনুসারে ১৫-২০ শতাংশ পচে যায়। খাবারে অনুপযোগী পেঁয়াজ বাদ দিলে নিট উৎপাদন ১৫ লাখ ১৪ হাজার টন। এ হিসাবে ঘাটতি ৮-৯ লাখ টন।

মন্ত্রী বলেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দেশে পেঁয়াজ সংগ্রহের মৌসুম। মৌসুম শুরু হলে সরবরাহ বাড়বে। এতে দাম স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

সৈয়দ আবু হোসেনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ৪৫ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে। এছাড়া ৯টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। দেশগুলো হচ্ছে আফগানিস্তান, ভুটান, চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, লাওস, মালদ্বীপ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত