‘করোনা’র ক্ষতি নির্ধারণ করতে পারেনি এফবিসিসিআই

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:১৮ এএম

করোনাভাইরাসে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক ক্ষতি নির্ধারণ ও করণীয় সম্পর্কে আজ সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে বলে দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সিদ্দিকুর রহমান।

তিনি জানান, চীনে করোনাভাইরাসের প্রভাব বিভিন্ন খাতে পড়েছে। বিভিন্ন খাতে কেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা জানাতে এফবিসিসিআই থেকে বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এখনো তথ্য আসা শুরু করেনি। সমিতিগুলো থেকে তথ্য পাওয়ার পর তা বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে চীন নিজ দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য কত দিন বন্ধ রাখবে, তা অনুমান করা যাচ্ছে না। ফলে ভবিষ্যতে কোন ধরনের ক্ষতি হতে পারে, তা অনুমান করা কঠিন। আর চীনের বিকল্প খুঁজতে গেলে লম্বা সময় লাগবে। কম সময়ে বিকল্প খুঁজে পাওয়া যায় না। তারপরও প্রতিবেদনে আমরা এমন কিছু সুপারিশ করব, যাতে করোনাভাইরাসের প্রভাবে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে বড় ধরনের প্রভাব না পড়ে।

করোনাভাইরাসের কারণে গত ২৪ জানুয়ারি থেকে চীনের ব্যবসা-বাণিজ্য, কারখানা, বন্দর সবই বন্ধ হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন খাতে। বাংলাদেশ তার মোট আমদানির ৩০ শতাংশ চীন থেকে এনে থাকে। আর তৈরি পোশাক খাতের ওভেন রপ্তানিকারকরা তাদের কাঁচামালের ৬০-৬৫ শতাংশ আমদানি করে চীন থেকে, যা দিয়ে তৈরি করা পোশাক যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে। চীন থেকে আমদানি সম্ভব না হওয়ায় এসব রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান কাঁচামাল সংকটে পড়তে যাচ্ছে। এ বিষয়ে গত বুধবার বৈঠক করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বৈঠকের পর বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সাংবাদিকদের বলেন, করোনাভাইরাসের ক্ষয়ক্ষতি ও ভবিষ্যতে করণীয় নির্ধারণে এফবিসিসিআইকে তিন দিনের মধ্যে সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত