মো. মোক্তার হোসেন। ঢাকার কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার। পাশাপাশি পানীয়ের পাউডার তৈরির একটি কারখানা চালান তিনি। গত সোমবার সেই কারখানার এক কর্মচারী চাকরি ছেড়ে দিতে চাইলে তাকে মারধর করে আটকে রেখে খবর দেন পুলিশে। একটি প্যাকেটে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি দিয়ে মো. আল আমিন নামের ওই কর্মচারীকে ইয়াবা কারবারি সাজানোর চেষ্টাও করেন। তবে প্রথমে পুলিশের সন্দেহ ও আল আমিনের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে উল্টো গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেই মেম্বারকে। এখন তিনি আছেন কারাগারে।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই মো. রফিকুল ইসলাম গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, সোমবার সকালে কালিন্দী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোক্তার হোসেন ফোন করে জানান, তার এলাকায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যবসায়ীকে আটক করে রাখা হয়েছে। পরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আল আমিন নামের একটি ছেলেকে মারধর করে বেঁধে রাখা হয়েছে। সে সময় মেম্বার আমার হাতে একটি প্যাকেট ধরিয়ে দিয়ে দাবি করেন তার মধ্যে ইয়াবা বড়ি রয়েছে। আল আমিনের থেকে সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। তবে প্যাকেট খুলে আমার সন্দেহ হয়। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি আল আমিন মেম্বারের কারখানার শ্রমিক ছিল। সে তার ওখান থেকে চাকরি ছেড়ে দেওয়ায় এমন নাটক করে আল আমিনকে ফাঁসাতে চেয়েছেন মেম্বার। শুধু তাই নয়, বড়িগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা যায় সেগুলো জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল। পরে তাদের দুজনকেই থানায় নিয়ে আসা হলে মেম্বার দায় স্বীকার করেন। আর আল আমিন তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।
থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম পিপিএম জানান, আদালতের নির্দেশে মোক্তার মেম্বারকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
