পারফর্ম করেই টিকে থাকবেন সাইফউদ্দিন

আপডেট : ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:৪২ এএম

অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে দেখলে আপনার মনে হবে না প্রায় ৫ মাস ধরে খেলায় নেই। টেনিস এলবোর চোটের পর পিঠের ব্যথা মাঝের ৫টা মাস কেড়ে নিয়েছে। কেবল পুনর্বাসন করে গেছেন। হতাশায় আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু বারবার আরও ভালোভাবে ফেরার পণ উজ্জীবিত করে রেখেছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন সময় প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর মুখে তার অভাবের কথা মিডিয়ায় জেনে বেড়েছে আত্মবিশ্বাস। আর গতকাল বাংলাদেশ দলের সঙ্গে আবার প্র্যাকটিসে নামতে পারার পর সাইফউদ্দিন স্বস্তির নিঃশ্বাস ছেড়ে বলেন, ‘শেষ পাঁচ মাস এ দিনটির অপেক্ষায় ছিলাম। টিমের সঙ্গে অনুশীলন করব। একই ড্রেসিং রুম শেয়ার করব।’

পেস অলরাউন্ডারের বড় অভাব এই দেশে। পুরো ফিট হতেই তাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলে। ২৩ বছরের সাইফউদ্দিনের জন্য আনন্দের। কিন্তু একটু একটু করে দেশের পেসাররা নিজেদের গুছিয়ে নিচ্ছেন। উঠেও আসছেন নবাগতরা। গেল সেপ্টেম্বরে শেষবার আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার চ্যালেঞ্জটা নিতে মুখিয়ে, ‘এখন অনেক কিছু আবার নতুন মনে হচ্ছে। নতুন করে আবার সব কিছু শুরু করতে চাই। এ জায়গাটা এ রকম। যতদিন পারফর্ম করবেন, টিকে থাকবেন। পারফর্ম করবেন না, টিকে থাকবেন না। পরশু (রবিবার) সুযোগ পেলে আবার নতুন করেই শুরু করতে হবে, ব্যাটিং হোক বা বোলিং হোক।’

স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা হলে পিছপা হবেন না জানিয়ে বললেন, ‘প্রতিযোগিতা ভালো। দিন শেষে আমরা দলের কথা চিন্তা করি। যদি আমার থেকে ভালো কেউ আসে অবশ্যই তাকে ওয়েলকাম। আমার চিন্তা থাকবে তার থেকে ভালো করে দলে জায়গা করে নেওয়ার।’

২০ ওয়ানডে ও ১৩ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। ধরে নেওয়া যায় সিলেটে আগামীকাল ৩ ম্যাচের সিরিজের প্রথমটিতেই ফিরছেন। ফিরে করণীয় কী তাও ঠিক করা আছে সাইফউদ্দিনের, ‘এর আগে আমি বিশ্বকাপে ও আগের সিরিজগুলোতে নতুন বলে ও স্লগ ওভারগুলোতে বোলিং করেছি। অধিনায়ক নতুন বল তুলে দিয়ে পাওয়ার প্লেতে আমার কাছে উইকেটের প্রত্যাশায় থাকে। ডেড বোলিংয়ে যতটা রান বাঁচানো যায় তত ভালো। তাতে আমাদের ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা সহজ হয়ে যায়।’

দল সবসময় পেস অলরাউন্ডারের অভাব বোধ করে। অনুপস্থিতিতে মিডিয়ায় কোচের মুখে তার নাম উচ্চারিত হওয়াটা খুব খেয়াল করেছেন ডানহাতি বোলার ও বাঁহাতি ব্যাটসম্যান, ‘গণমাধ্যমে আমাকে নিয়ে খবর প্রকাশের পর আমি সেগুলো দেখেছি। সেগুলো দেখার পর আমার ইচ্ছাশক্তি বেড়েছে আরও কাজ করার। তাড়াতাড়ি ফেরার। তার এগুলোও (ডমিঙ্গোর কথা) সাহায্য করেছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত