দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণঝুঁকি বাড়ায় বিদেশফেরতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টাইনে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। সিভিল এভিয়েশন কর্র্তৃপক্ষ ও পররাষ্ট্র সচিবের প্রতি এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে রুলসহ কয়েকগুচ্ছ নির্দেশনা দেয়। অন্য তিন নির্দেশনা হচ্ছে বিদেশফেরত সবাইকে ১৪ দিন বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টাইনে রাখতে স্বরাষ্ট্র সচিব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নেবে, বিদেশফেরত ও সন্দেহভাজনদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন স্বাস্থ্য সচিব এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে কোয়ারেন্টাইনে রাখা ব্যক্তিদের তদারকির বিষয়টি তদারকি করবেন জনপ্রশাসন সচিব।
রিট আবেদনকারী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ দেশ রূপান্তরকে জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণঝুঁকি বাড়ায় দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে গত ১৫ মার্চ হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। ইতিমধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি গতকাল আদালতে শুনানির জন্য উঠলে প্রসঙ্গক্রমে এ বিষয়ে গুরুত্বসহকারে নির্দেশনা দেয় হাইকোর্ট। তিনি বলেন, বিদেশফেরত ব্যক্তিদের অনেকেই কোয়ারেন্টাইনে না গিয়ে করোনা-সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালত এসব নির্দেশনা দেয়।
আদালতে ইউনুছ আলী আকন্দ নিজেই শুনানি করেন। এছাড়া অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রেজা-ই রাব্বী খন্দকারের মতামত শোনে হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ এম আর চৌধুরী।
