সিয়াম আহমেদ ও পরী মনি অভিনীত ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমাটি বেশ কিছুদিন ধরে সমালোচনার মুখে রয়েছে।
করোনা সংক্রমণের কারণে চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি ২২ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব ধরনের শুটিং, ডাবিং ও সম্পাদনার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। তারপরও খুলনার মোংলা ও সুন্দরবন এলাকায় চলছিল শুটিং।
অবশেষে শুটিং বন্ধ হয় বৃহস্পতিবার। কিন্তু ঝামেলা হয়েছে অন্য জায়গায়। সুন্দরবন থেকে ফেরার পথে নদীতে আটকে গেছে টিম।
কয়েক দিন আগে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পরপরই সড়ক-নৌ-রেল পথে যাত্রী পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়। এই কারণে ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ইউনিট ঢাকায় ফিরতে পারছে না। আটকে গেছে মাঝনদীতে।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মোংলা থেকে রওনা হয়ে বেশ কিছু দূর আসার পর পানখালীতে লঞ্চ আটকে দেয় কোস্টগার্ড। তারা জানায়, এত যন্ত্র ও মানুষ নিয়ে ঢাকায় ঢোকার জন্য পথে পথে বারবার অনুমতিপত্র দেখাতে হবে। তখন তারা যোগাযোগ করেন তথ্য মন্ত্রণালয়ে। সেই অনুমতি মিলবে রবিবার। একইসঙ্গে লাগবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি। তাই নদীতেই অপেক্ষা করছে টিম।
মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপন্যাস ‘রাতুলের রাত রাতুলের দিন’ অবলম্বনে সরকারি অনুদানে নির্মিত হচ্ছে ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’। ছবি চিত্রনাট্য করেছেন জাকারিয়া সৌখিন।সহ-প্রযোজনায় আছে বঙ্গ।
বর্তমানে ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবির শুটিং ইউনিটে রয়েছেন প্রায় ৭০ জন। যার মধ্যে ২০ জন শিশুশিল্পী। আরও অভিনয় করছেন শহীদুল আলম সাচ্চু, আজাদ আবুল কালাম, কচি খন্দকার, আশীষ খন্দকার প্রমুখ।
