প্রায় দুই বছর আগে হঠাৎই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। তবে সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট প্রশাসনে বেশ বদল এসেছে। মার্ক বাউচার কোচ হওয়ার পর ডি ভিলিয়ার্সকে ফেরানো নিয়ে আলোচনাও শুরু করেন। এই ডানহাতি ব্যাটারও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে প্রোটিয়া দলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে থমকে গেছে বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা। ডি ভিলিয়ার্সের ফেরার স্বপ্নের পালেও লেগেছে জোর ধাক্কা।
অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় বসার কথা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু করোনাভাইরাসের ফলে সার্বিক যে পরিস্থিতি, তাতে এই আসর মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা দেখেন না ডি ভিলিয়ার্স। এক বছর যদি আসরটি পিছিয়ে যায় সে ক্ষেত্রে ফিটনেস ধরে রেখে জাতীয় দলে ফেরার জন্য কতটা তৈরি থাকবেন সে নিয়েই চিন্তা ‘মি. ৩৬০ ডিগ্রি’।
নিজ দেশের একটি দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘২০২০ সালে অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট রয়েছে। তবে এই টুর্নামেন্ট সঠিক সময় হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। বিশ্বের অন্য বড় টুর্নামেন্ট করোনা উদ্বেগের জন্য পিছিয়ে গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে বিশ্বকাপ পিছিয়ে ২০২১ সালে হলে বিশ্বকাপের জন্য আমি কতটা তৈরি থাকব সেটা বলা মুশকিল। সে কারণেই বিশ্বকাপ নিয়ে এই কঠিন পরিস্থিতিতে দলের থাকার বিষয় নিয়ে মিথ্যে আশা জাগাব না।’
৩৬ বছর বয়সী সাবেক প্রোটিয়া অধিনায়ক যোগ করেন, ‘এখন আমি শতভাগ ফিট। ফলে ক্রিকেটকে দেওয়ার মতো অনেক কিছু পরে রয়েছে। কিন্তু এক বছর পর আমি যদি নিজেকে শতভাগ প্রস্তুত মনে না করি, তখন বিশ্বকাপে নিজেকে বয়ে বেড়ানোটা দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হবে।’
