শরীয়তপুরে বজ্রপাতে ডামুড্যা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের এজিএম মো. সাইফুল হক খান (৪৫) ও সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মো.
মোস্তাফিজুর রহমানের (৫০) মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার জয়ালু গ্রামে কাজ শেষে অফিসে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া গতকাল কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে ধান কাটাতে গিয়ে ইয়াসিন মিয়া (২৯) নামে এক কৃষক; নিকলীতে আসাদুল্লাহ (১৮) নামে এক যুবক ও মাদারীপুরের কালকিনিতে ফালানি বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ প্রাণ হারান। বিস্তারিত প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর :
শরীয়তপুর : ডামুড্যা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি জোনাল অফিসের ডিজিএম দেলোয়ার হোসেন বলেন, উপজেলার পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নের চরজয়ালু এলাকায় বিদ্যুতের পুরনো খুঁটি সরিয়ে নতুন খুঁটি স্থাপনের কাজ চলছে। সোমবার দুপুরে মোটরসাইকেলযোগে সেই কাজ পরিদর্শনে যান এজিএম সাইফুল হক ও সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মোস্তাফিজুর রহমান। ফেরার সময় বজ্রপাতের কবলে পড়ে ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান। সাইফুলের বাড়ি কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় এবং মোস্তাফিজুরের যশোরের ঝিকরগাছায়। ডামুড্যা থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কিশোরগঞ্জ : গতকাল সকাল ৭টার দিকে বজ্রপাতে নিকলী উপজেলার গড়গড়িয়া গ্রামের মৃত কেনু মিয়ার ছেলে আসাদুল্লাহ মারা যান। এলাকাবাসী জানান, আসাদুল্লাহ সকালে ছাগল চরাতে সিংপুরের নয়াখাল হাওরে যান। ছাগল হাওরের মাঠে চরাতে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এদিকে মিঠামইন থানার ওসি জাকির রাব্বানী জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ির পাশের হাওরে ধান কাটতে গেলে বজ্রপাতের কবলে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান ইয়াসিন মিয়া। ইয়াসিন উপজেলার বজকপুর গ্রামের মাহবুবুর রহমানের ছেলে।
মাদারীপুর : কালকিনি উপজেলার আউলিয়ারচর গ্রামে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বজ্রপাতে গৃহবধূ ফালানি বেগমের মৃত্যু হয়। ফালানি ওই গ্রামের কবির উদ্দিন ফকিরের স্ত্রী। স্বজনরা জানান, সকালে ফালানি স্থানীয় খুনেরচর মিনি ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য যান। দুপুরে ফেরার পথে বিলের মাঝখানে বজ্রপাতে তিনি মারা যান এবং তার সঙ্গে থাকা একই গ্রামের আলাউদ্দিন মৃধার স্ত্রী মাজেদা বেগম (৫০) আহত হন। তার একটি চোখ নষ্ট হয়ে গেছে।
