তুরস্ক, ভারত ও মালদ্বীপ থেকে ২৫৯ বাংলাদেশি গতকাল মঙ্গলবার দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে ভারত থেকে ১৬৯, তুরস্ক ২০ ও মালদ্বীপ থেকে ৭০ জন দেশে ফিরেছেন।
ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসার জন্য গিয়ে লকডাউনের কারণে আটকা পড়া আরও ১৬৯ বাংলাদেশিকে নিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস-২১০ ফ্লাইটটি গতকাল বেলা ৩টা ৫ মিনিটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর মধ্যে ৫ জন শিশুও রয়েছে। সিভিল এভিয়েশন কর্র্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল কামরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জিএম-পিআর) কামরুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ভারত থেকে আসা সবাইকে দেশটিতেই করোনা-পরীক্ষা করানো হয়েছে। ফল ‘নেগেটিভ’ এসেছে। অর্থাৎ তারা কেউ করোনা সংক্রমিত নয়। তারা সেই টেস্টের ফলের কপি নিয়েই দেশে ফিরছেন। তবুও বিমানবন্দরে তাদের স্ক্রিনিংয়ের পর হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে।
ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে ছয়টি বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে ইউএস-বাংলা। ২০ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করবে তারা।
এর আগে গতকাল দুপুর ১২টার দিকে টার্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে ২০ জন বাংলাদেশি ঢাকায় ফেরেন। তাদের মধ্যে ১২ জনকে আশকোনার ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। দুপুর ১টা ১০ মিনিটে একই ফ্লাইটে ১৫৪ জন তুরস্কের নাগরিক দেশটিতে ফিরেছেন। এছাড়া গতকাল বিকেলে বিমানবাহিনীর উড়োজাহাজে করে মালদ্বীপ থেকে ৭০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
বিমানের ফ্লাইট যাবে দিল্লি : সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশি নাগরিকদের দিল্লি থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড ২৪ এপ্রিল একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে। এ ফ্লাইটের টিকিট বিমানের মোবাইল অ্যাপস ও ওয়েবসাইট থেকে কেনা যাবে। ইকোনমি ক্লাসে ১৫০ ও বিজনেস ক্লাসে ১২ জন ভ্রমণ করতে পারবেন। ২১ থেকে ২৩ এপ্রিল দুপুর ২টা পর্যন্ত টিকিট কেনা যাবে।
ব্রিটিশ নাগরিকদের ঢাকা ত্যাগ : গতকাল বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ২৬৪ ব্রিটিশ নাগরিককে নিয়ে ব্রিটিশ এয়ারের একটি ফ্লাইট ঢাকা ছেড়ে গেছে। ওই ফ্লাইটে শিশু ছিল ১০ জন।
