পৃথিবী সেরে উঠলে কাজগুলো সামনে নিয়ে আসব

আপডেট : ০৩ মে ২০২০, ০৬:৫৭ এএম

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও সংগীত পরিচালক বাপ্পা মজুমদার। হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন এক মাসের বেশি সময়। এ সময়ে একাধিক নতুন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ

হোম কোয়ারেন্টাইনে...

কথায় আছে না, ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। আমার অবস্থা হয়েছে তাই। সংগীতের মানুষ, বেশিক্ষণ সংগীত ছেড়ে থাকতে পারি না। তাই ঘরে বসেও সংগীতের কাজই করছি। আমার জন্য সুবিধা হয়েছে, তার কারণ হলো আমার বসবাসের বাড়ি আর গানের স্টুডিও একই জায়গায়। নিয়মিত প্রযোজকদের চাহিদা অনুযায়ী গান করতে গিয়ে নিজের কিছু কাজ বাকি থেকে যায়, যা কখনোই করা হয়ে ওঠে না। তাই হাতে লম্বা সময় পাওয়ায় জমে থাকা সেই কাজগুলো করছি। এখন সুর ও সংগীত পরিচালনার কাজ বেশি করছি। রেকর্ডিং কম হচ্ছে। এ ছাড়া বিজ্ঞাপনের জিঙ্গেলের নতুন কিছু কাজ হাতে এসেছে। সেগুলোও করছি। কাজের বাইরের সময়গুলো আমার একমাত্র সন্তানের সান্নিধ্যেই কাটছে।

নতুন কাজ...

সংগীত আসলে মানুষের মানসিক অবস্থার সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করে চলে। মন ভালো হলে মানুষ গান-বাজনা পছন্দ করে। মন খারাপ হলে কেউ কি ইচ্ছা করে করে মন আরও খারাপ করতে চায়? তাই এই বৈরী সময়ে ইচ্ছা থাকলেও নতুন কোনো গান দর্শকের কাছে উপস্থাপন করতে চাচ্ছি না। যে নতুন সুর, কম্পোজিশন করছি তা ভবিষ্যতের জন্য রেখে দিচ্ছি। পৃথিবী সেরে উঠলে কাজগুলো দর্শকের সামনে নিয়ে আসব।

সচেতনতামূলক গান...

শিল্পী হিসেবে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার দায়িত্ব রয়েছে। এরই মধ্যে এ ধরনের একাধিক গানে কণ্ঠ দিয়েছি। সম্প্রতি হৃদয় খানের সুর ও সংগীতে ‘আসবে আসবে সূর্যের আলো’ শিরোনামের একটি গান গেয়েছি।

পরামর্শ...

এভাবে যে আর কত দিন বসে থাকতে হবে, তা আমরা কেউই জানি না। আমরা আর কটা দিন ধৈর্য ধরে ঘরে থাকি। এমন কিছু করতে পারি, যা সময়টাকে কার্যকর করতে পারে। ইবাদত করতে পারি। সৃষ্টিকর্তাই পারেন আমাদের এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে। আর যারা রোজা রাখছেন, তারা খাবারের দিকে যত্নশীল হন। কারণ, এ সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার কী অবস্থা তা সবাই ভালো করে জানেন। ইফতারিতে ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলুন। প্রচুর পানীয় খান। সামর্থ্য থাকলে বেশি করে ফলমূল কিনে খান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত