নীলফামারীর জলঢাকায় করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে অপিজন নেছা (৫০) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার রাতে নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি। অপিজন গোলমুন্ডা ইউনিয়নের পূর্ব গোলমুন্ডা গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের স্ত্রী।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক রবিবার সকালে গ্রামের বাড়িতে তার মৃতদেহ দাফন করা হয়েছে বলে জানান জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডা. আবু হাসান মো. রেজওয়ানুল কবির।
তিনি বলেন, ‘গত ৫ মে জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে জলঢাকা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হন অপিজন নেছা। এরপর গত ৬ মে তার নমুনা সংগ্রহ করে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ৮ মে তার শরীরে করোনার উপস্থিতি নিশ্চিত হয় স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে তার শারীরিক অবস্থা ভালো থাকায় তাকে বাড়িতেই আইসোলেশনে রাখা হয়।’
এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, ‘তিনি দীর্ঘদিন থেকে তীব্র মাথা ব্যথা ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন। তবে মৃত্যুর আগে রক্তচাপ স্বাভাবিক ছিল। স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক রবিবার সকালে গ্রামের বাড়িতে তার মৃতদেহ দাফন করা হয়।’
নীলফামারী সিভিল সার্জন ডা. রনজিৎ কুমার বর্মন বলেন,এ নিয়ে জেলার দুই ব্যক্তি করোনায় মৃত্যুবরণ করলেন।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের গোলাম মোস্তফা নামের এক বৃদ্ধ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। মৃত্যুর পর তার শরীর থেকে নমুনা পরীক্ষা সংগ্রহ করা হলে তার শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়।
এখন পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ৪০ জন। মারা গেছেন দুজন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১জন।
