কেপিএমের জীবাণুনাশক উৎপাদন দেওয়া হবে অন্য প্রতিষ্ঠানেও

আপডেট : ১১ মে ২০২০, ১২:৫২ এএম

করোনা পরিস্থিতিতে দেশে কারখানার কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে জীবাণুনাশক ব্লিচ উৎপাদন শুরু করেছে কর্ণফুলী পেপার মিলস (কেপিএম)। নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও সরবরাহ করা হবে এ ব্লিচ। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে কেপিএমকে নির্দেশনা প্রদানের পরিপ্রেক্ষিতে কারখানাটি এ উদ্যোগ নিয়েছে। গতকাল শিল্প মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, জীবাণুনাশক ব্লিচ উৎপাদনে ১৫ এপ্রিল থেকে কারখানাটির অব্যবহৃত ব্লিচ উৎপাদনের প্ল্যান্টটির সিভিল, মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল রক্ষণাবেক্ষণের কার্যক্রম শুরু হয়। ৩০ এপ্রিল এক ব্যাচে এক টন ক্যালসিয়াম হাইপো ক্লোরাইটের ব্লিচ লিকার উৎপাদন হয়। প্ল্যান্টটিতে আগে পাল্প সাদা করার ব্লিচ উৎপাদন হতো। কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, যানবাহন জীবাণুমুক্তকরণসহ কারখানার পরিবেশের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার কাজে এ জীবাণুনাশক ব্যবহার হচ্ছে।

কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ড. এম এম এ কাদের বলেন, কর্ণফুলী পেপার মিলস বর্তমানে আমদানিকৃত পাল্প ও রিসাইকেল পেপার থেকে কাগজ উৎপাদন করছে। তিনি বলেন, গত তিন বছরের মধ্যে চলতি অর্থবছরে ৯ মে পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭৮৫ টন কাগজ উৎপাদন হয়েছে। গত ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছর কাগজ উৎপাদন হয় যথাক্রমে ৩ হাজার ১৮২ ও ৫ হাজার ৬৩৫ টন। উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছর সাড়ে ৭ হাজার থেকে ৮ হাজার টন কাগজ উৎপাদন হতে পারে বলে তিনি জানান।

ড. কাদের আরও বলেন, স্থানীয়ভাবে কাগজ উৎপাদনের কাঁচামাল কাঠের সরবরাহ নিশ্চিতে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে নিজস্ব বীজতলায় উৎপাদিত চারা রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছর তিন লাখের বেশি গাছের চারা কেপিএমের পাহাড়ি এলাকা ও পতিত জমিতে রোপণ করা হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে আরও দেড় লাখ গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে কারখানাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত