টানা ৩৭ দিন পর চীনের উহানে ফের একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। উহানের একজনসহ চীনে নতুন করে ১৪ জনের শরীরে নভেল করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গতকাল রবিবার চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন জানিয়েছে, নতুন শনাক্ত রোগীদের মধ্যে ১১ জনই জিলিন প্রদেশের শুলান শহরের, একজন উহানের আর বাকি দুজন বহিরাগত। রবিবার থেকে শুলান শহরে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকির সতর্কতা উচ্চ থেকে মাঝারি পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে শহর কর্র্তৃপক্ষ। গত ৭ মে সেখানে এক নারীর শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। নতুন আক্রান্ত ১১ জনই ওই নারীর পরিবারের সদস্য বা তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জিলিন প্রদেশের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত রয়েছে। তবে উত্তর কোরিয়ার করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশ্ববাসী এক প্রকার অন্ধকারেই রয়েছে।
চীনের স্বাস্থ্য কর্র্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় আর কেউ মারা যায়নি। ফলে মৃতের সংখ্যা ৪ হাজার ৬৩৩ জনই রয়েছে। এছাড়া মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২ হাজার ৯০১ জন।
গত ৩ এপ্রিল শেষবার করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল উহানে। এরপর থেকে একরকম করোনা মুক্ত হয়ে গিয়েছিল উহান। কিন্তু এবার ফের আক্রান্তের সন্ধান পাওয়ায় আতঙ্ক বাড়ল। মনে করা হচ্ছে পুরনো কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের জেরেই এই সংক্রমণ হয়েছে।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জন করোনা রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। গত এক মাসের মধ্যে এই প্রথম দেশটিতে এক দিনেই ৩০ জনের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হলেন। তবে শুরু থেকেই করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে প্রশংসা কুড়িয়ে আসছে দেশটি। কোরিয়ার রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র থেকে বলা হয়েছে, ৩৪ জনের মধ্যে ২৬ জন স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন। বাকিরা বিদেশফেরত।
গত কয়েক দিন ধরে স্থানীয়ভাবে যারা সংক্রমিত হয়েছেন তাদের সঙ্গে রাজধানী সিউলের একটি নাইটক্লাবের সংযোগ রয়েছে। গত এক সপ্তাহে ওই নাইটক্লাবে যাওয়া প্রায় দেড় হাজার মানুষকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী চুং সি-কিউন।
