টানা দুই সপ্তাহ ধরে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ঢাকাগামী যাত্রীদের ঢল নেমেছে।
সোমবার ১৪ দিনের মতো দক্ষিণবঙ্গের এ নৌরুটে শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীদের ছুটে আসার চিত্র দেখা গেছে। ফেরি ও ট্রলারে গাদাগাদি করে পদ্মা পাড়ি দিয়ে আসছেন শিমুলিয়ায়। এরপর স্রোতের মতো যাত্রীদের ঢাকায় ফিরতে দেখা গেছে।
করোনা সংক্রমণের শুরুতে গ্রামের বাড়ি ফেরেন দক্ষিণবঙ্গের লাখো মানুষ। আর এখন ঈদ সামনে রেখে তারা ফিরছেন ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

এই যাত্রীদের বেশির ভাগই গার্মেন্টসকর্মী ও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী বলে জানিয়েছেন মাওয়া নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবীর।
তিনি জানান, ভোর থেকে ফেরি ও ট্রলারে গাদাগাদি করেই দক্ষিণবঙ্গের যাত্রী সাধারণ পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন। এরপর ভিড় জমাচ্ছেন শিমুলিয়া ঘাটে।
এদিকে, মুন্সীগঞ্জে শিমুলিয়াঘাটে দেখা নেই গণপরিবহনের। উপরন্তু ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ছোট আকারের যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ। এ অবস্থায় বিকল্প সড়ক পথে ভেঙে ভেঙে অটোরিকশা, মিশুক আর রিকশায় চড়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছুটছেন যাত্রী সাধারণ।
কেউ কেউ পায়ে হেঁটে ছুটছেন। এ ক্ষেত্রে নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। ছোট যানবাহনগুলোতে চড়তে গিয়ে যাত্রীর উপর নেমে এসেছে বাড়তি ভাড়ার খড়গ।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়াঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার সীমিত আকারে রো-রোসহ ৬টি ফেরি দিয়ে নৌরুট সচল রাখা হয়েছে। তবে রাতের বেলায় সংখ্যা বেড়ে ১২টি ফেরিতে পণ্যবাহী যানবাহন পারাপার করে থাকে। দিনের বেলায় ফেরিগুলোতে জরুরি সেবার যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। আর যানবাহনের সঙ্গে শত শত যাত্রী পদ্মা পাড়ি দিয়ে ছুটে আসছেন শিমুলিয়া ঘাটে।
