কভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অন্যরকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে নিউজিল্যান্ড। সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার এখানে অতি সামান্য। এর মধ্যে ৯ মে কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এই নিরাপদ খবর হলিউডে স্বস্তির খোরাক হয়েছে।
ডেডলাইনের বরাত দিয়ে ইন্ডি ওয়্যার জানায়, দেশটিতে টিভি ও চলচ্চিত্র প্রডাকশনের কাজ নিরাপদেই চলছে। খবরটি নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড ফিল্ম কমিশন।
এর অর্থ হলো শিগগিরই জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার’ সিরিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় কিস্তির শুটিং শুরু হবে। আমাজনের ‘লর্ড অব দ্য রিংস’ও আছে এই তালিকায়।
করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে সুরক্ষা নীতিতে অটল ছিল দেশটির সরকার। বর্তমানে বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে লকডাউনের জন্য বন্ধ টিভি বা সিনেমার শুটিং। যেখানে যথাযথ ব্যবস্থার কারণে কোয়ারেন্টাইনকাল পার হয়ে ক্যামেরা ওপেন করতে যাচ্ছে হলিউডের নামি প্রতিষ্ঠানগুলো।
পরিচালক জেমস ক্যামেরন ও প্রযোজক জন ল্যানডাউ পরিকল্পিত চার ‘অ্যাভাটার’ সিক্যুয়ালের মধ্যে প্রথম দুটির কাজ বেশ আগেই শুরু করেছেন। কারোনার কারণে মার্চের মাঝামাঝিতে স্থগিত করেন শুটিং। তবে লস অ্যাঞ্জেলসে ভার্চুয়ালি ব্যয়বহুল স্পেশাল ইফেক্টসের কাজ চালিয়ে গেছেন।
ধারণা করা হচ্ছে, এই সিক্যুয়ালগুলোর বাজেট ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি। ইতিমধ্যে মুক্তির দিনক্ষণও ঘোষিত হয়েছে। ২০২১ সালের ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ সালের ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর ও ২০২৭ সালে ১৭ ডিসেম্বর সিক্যুয়ালগুলো যথাক্রমে মুক্তি পাবে।
ইতিমধ্যে সিরিজের দুই কিস্তির মোশন ক্যাপচার সম্পন্ন হয়েছে। তবে এখনো সংশিষ্ট কেউ নিউজিল্যান্ডে যাননি।
এ দিকে অকল্যান্ডেই হয়েছিল ‘লর্ড অব দ্য রিংস’-এর প্রথম দুই পর্বের শুটিং। কিন্তু করোনার কারণে মার্চে পূর্ব নির্ধারিত শিডিউল থেকে সরে আসে আমাজন।
নিউজিল্যান্ডে ৯ মে পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার মানুষের শরীর কভিড-১৯ ধরা পড়ে। আর মারা গেছেন ২০ জন।
