প্রথম অধ্যায় : সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
১. আমরা কীভাবে আমাদের স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন করি?
উত্তর : ২৬ মার্চ আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। আমরা প্রতি বছর যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে মহান স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন করি।
যেমন :
(ক) প্রতি বছর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনটি শুরু হয়।
(খ) রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ সর্বস্তরের মানুষ জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
(গ) মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
(ঘ) রেডিও, টেলিভিশন বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করে এবং সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে।
(ঙ) এদিন থাকে সরকারি ছুটির দিন। অফিস-আদালত এবং বড় বড় রাস্তা জাতীয় পতাকা দিয়ে সজ্জিত করা হয়।
২. মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য ৫টি বাক্যে লেখো।
উত্তর :
(র) মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন দেশ। ফলে আমরা একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক।
(রর) আমরা পেয়েছি একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড।
(ররর) আমরা পেয়েছি একটি নিজস্ব জাতীয় পতাকা।
(রা) জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ-নির্বিশেষে সবাই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল বলে মুক্তিযুদ্ধ সবার।
(া) এই স্বাধীন দেশে সবার রয়েছে সমান অধিকার এবং দেশটাকে সুন্দর করে গড়ে তোলার দায়িত্বও সবার।
দ্বিতীয় অধ্যায় :
১. ব্রিটিশ শাসনের খারাপ দিক নিয়ে আলোচনা করো।
উত্তর : ব্রিটিশ শাসনের খারাপ দিকগুলো হচ্ছে
(র) ‘ভাগ করো শাসন করো’ নীতির ফলে এ দেশের মানুষের মধ্যে ধর্ম, বর্ণ, জাতি ও অঞ্চলভেদে বিভেদ সৃষ্টি হয়।
(রর) অনেক কারিগর বেকার ও অনেক কৃষক গরিব হয়ে যায় এবং বাংলায় দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ বাংলা ১১৭৬ সালে (ইংরেজি ১৭৭০) সালে হয়েছিল, যা ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ নামে পরিচিত।
(ররর) অল্পসংখ্যক জমিদার শ্রেণি অনেক জমির মালিক হয় এবং বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ গরিব হয়ে যায়।
২. বাংলার নবজাগরণে কারা অবদান রেখেছেন?
উত্তর : উনিশ শতকে বাংলায় নবজাগরণ ঘটে। যার ফলে সামাজিক সংস্কারসহ শিক্ষা, সাহিত্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের ব্যাপক প্রসার ঘটে।
নবজাগরণে অবদান রেখেছিলেন রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রমুখ। আর মুসলমানদের সামাজিক সংস্কার ও আধুনিক শিক্ষার প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রাখেন স্যার সৈয়দ আহমদ খান, নবাব আবদুল লতিফ, সৈয়দ আমির আলী, বেগম রোকেয়া প্রমুখ।
