করোনার তথ্য গোপন করে ফিরেছেন বাড়ি, ঘুরেছেন এলাকায়

আপডেট : ১৫ মে ২০২০, ০৯:৫২ পিএম

চট্টগ্রাম শহরের ইপিজেড এলাকায় এক পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন তিনি। শারীর খারাপ হলে ১০ মে চট্টগ্রাম বিআইটিআইডিতে নমুনা দেন। এরপর কাউকে কিছু না জানিয়ে মিরসরাইয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন। নমুনা দেওয়ার সময় তিনি চট্টগ্রাম শহরের ঠিকানা ব্যবহার করেন। বৃহস্পতিবার তার ব্যক্তিগত মোবাইলে করোনা পজিটিভ এর ফলাফল আসে। তখন তিনি সবাইকে জানান বিষয়টি। এ কয়দিনে মিশেছেন পরিবারের লোকজনের সঙ্গে, ঘুরে বেড়িয়েছেন এলাকায়।

বাধ্য হয়ে শুক্রবার চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়েছেন। তথ্য গোপন করে বাড়ি ফেরায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

খবর পেয়ে ওই বাড়িতে ছুটে গেছেন মিরসরাইয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন। তিনি ওই ব্যক্তির পরিবারের লোকজনকে হোম কোয়ারিন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। 

এ রোগীসহ মিরসরাই উপজেলায় এ পর্যন্ত ছয়জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। তার মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই এলাকার একাধিক ব্যক্তি মুঠোফোনে দেশ রূপান্তরকে জানান, এভাবে তথ্য গোপন করে বাড়িতে ফিরে এসে তিনি তার পরিবার ও সমাজকে ঝুঁকিতে ফেলেছেন। এখন কতজনকে আইসোলেশনে রাখা যাবে? এদের খুঁজে বের করাও মুশকিল যে এই কয়দিন তিনি কার কার সঙ্গে মেলামেশা করেছেন। এটা মানবিক মানুষের কাজ না। নমুনা পরীক্ষায় দিয়ে কেউ যেন আর বাড়ি ফিরে না আসেন তার অনুরোধ করেন তারা। 

মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, করোনায় আক্রান্ত কাটাছড়ার ওই ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সবাইকে হোম কোয়ারিন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছি। শনিবার বাড়ির অন্য সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত