সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতেও বিনিয়োগ করবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। তারা ট্রেড ফাইন্যান্স প্রোগ্রামের (টিএফপি) আওতায় এ বিনিয়োগ করে। টিএফপি সম্প্রসারিত করেছে এডিবি। এবার তারা দেশের বেসরকারি খাতে বাড়তি দুই হাজার ১৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করবে। টিএফপির আওতায় গত বছর বেসরকারি খাতে এডিবির বিনিয়োগ ছিল চার হাজার ৪০৩ কোটি টাকা। এবার তা বাড়িয়ে ছয় হাজার ৪১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করছে এডিবি। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এ বছর দুই হাজার ১৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ বাড়াল তারা। গতকাল এডিবির ঢাকা অফিস বাংলাদেশে টিএফপির অর্থায়ন বাড়ানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
তারা বলেছে, এডিবি বাংলাদেশের ১২টি ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করছে। বাংলাদেশের বেসরকারি খাতকে ঋণ দিতে এই ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে অর্থ ছাড় করছে তারা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, ‘করোনার প্রভাব মোকাবিলা করে বাংলাদেশ যেন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন ধরে রাখতে পারে, আমদানি-রপ্তানি বাড়াতে পারে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে এসব কারণে আমরা এবার অর্থায়নের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছি।’
যেসব দেশে এএফপির কার্যক্রম সক্রিয় রয়েছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম বলে উল্লেখ করেন মনমোহন প্রকাশ। তিনি জানান, অর্থ ছাড় শুরুর ১৮০ দিনের মধ্যে এর কার্যক্রম শেষ করা হয়। ফলে যেদিন অর্থ ছাড় শুরু করব, তার ১৮০ দিনের মধ্যে এ অর্থ দেওয়া হবে। মনমোহন প্রকাশ আরও বলেন, এ ঋণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা (এসএমই) সুবিধা পাবেন। বাড়তি অর্থায়নে নারী উদ্যোক্তাসহ ব্যবসায়ীরা উপকার পাবেন। এডিবির এই টিএফপি বিশ্বের ২১টি দেশের ২৪০টি ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করছে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ২৪০টি ব্যাংকের মাধ্যমে সেসব দেশের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করছে এডিবি।
