চব্বিশ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ১৮ হাজার ৪৯৮ টি নমুনা পরীক্ষা করে ভাইরাসটির সংক্রমণ পাওয়া গেছে ৩ হাজার ৪৬৮ জনের শরীরে।
এই নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৬৬১ জন। আর আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৩০ হাজার ৪৭৪ জন। আর নতুন ১ হাজার ৬৩৮ জন নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ৫৩ হাজার ১৩৩ জন।
বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলে; এর দশ দিনের মাথায় ঘটে প্রথম মৃত্যু।
সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টার তথ্যানুযায়ী, দেশে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২০.৯১ শতাংশ। মৃত্যুর হার ১.২৭ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৪০.৭২ শতাংশ।
দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে শুক্রবার দুপুরে এসব তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
তিনি জানান, সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণ করাদের মধ্যে ৩১ জন পুরুষ, ৯ জন নারী। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৪, চট্টগ্রাম ভাগের ১২ জন। চারজন করে বরিশাল ও খুলনা কিভাগের এবং তিনজন করে সিলেট ও রংপুর বিভাগের।
হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের, বাড়িতে ৯ জনের।
মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সর্বোচ্চ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে ৬১-৭০ বছর বয়সীদের মধ্যে। এরপরেই রয়েছে ৫১-৬০ বছর বয়সী, ১২ জন। মৃত ছয়জনের বয়স ৪১-৫০। তিনজন করে মৃত্যু হয়েছে ৩১-৪০ ও ৭১-৮০ বছর বয়সীদের মধ্যে এবং একজন করে মৃত্যু হয়েছে ০-১০ ও ৮০-৯০ বছর বয়সীদের মধ্যে।
বুলেটিনে বলা হয়, ঢাকা মহানগরীতে কভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল রয়েছে ১৬টি এবং ঢাকা জেলায় একটি। ঢাকা মহানগরে কভিড রোগীদের জন্য বেড সংখ্যা আছে ৬ হাজার ৭৭৩টি, আইসিইউ বেড আছে ১৮০টি।
করোনা রোগীদের জন্য বেডগুলোতে রোগী আছে ২ হাজার ৩৭৫ জন এবং আইসিইউ বেডগুলোতে রোগী আছে ৯৭ জন।
সকল বিভাগ মিলে করোনা রোগীদের জন্য সাধারণ বেড সংখ্যা ১৪ হাজার ৬১০টি এবং আইসিইউ বেড সংখ্যা ৩৭৯টি। সকল বিভাগে রোগী ভর্তি আছে ৪ হাজার ৬৯১ জন; আইসিসিইউ বেডে রোগী ভর্তি আছে ১৮৩ জন।
