গাইবান্ধার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত ছিল শুক্রবার দিনভর। জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্যমতে, পানিবন্দি রয়েছে সদর উপজেলা, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের ৩০ হাজার ৮৭৬টি পরিবারের এক লাখ ২২ হাজার ৩২০ জন মানুষ।
যমুনা নদীর ভাঙনের কবলে সরিয়ে নিতে হচ্ছে সাঘাটার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র। এতে করে কয়েক’শ শিক্ষার্থীকে পাঠদানে ভোগান্তির শিকার হতে হবে।
অপরদিকে শুক্রবার ভোরে একই উপজেলার জুমারবাড়ী-হলদিয়া সড়কের গোবিন্দপুর এলাকায় যমুনা নদীর পানির স্রোতে একটি পাকা সড়ক ভেঙে গেছে। ফলে নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে কয়েকটি গ্রাম। এতে করে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে যানবাহনচালক ও পথচারিরা। বৃষ্টিতে কষ্ট পেতে হচ্ছে বন্যায় খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলোকে।
