অবসোত্তর ছুটিতে থাকা (পিআরএল) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব খুরশিদ আলম মারা গেছেন। গত শুক্রবার রাত পৌনে ১টার দিকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কি না, তা পরীক্ষার জন্য মৃত্যুর পর নমুনা নেওয়া হয়েছে। তবে গতকাল পর্যন্ত পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।
তার চাচাতো ভাই সাহাদাত পারভেজ বলেন, খুরশিদ আলমের আগে থেকেই হার্টের সমস্যা ছিল। এর মধ্যে শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে বাসায় তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। তখন প্রথমে বাসাতেই অক্সিজেন দেওয়া হয়। কিন্তু পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় তাকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ল্যাবএইডে। এই হাসপাতালেই শুক্রবার রাত পৌনে ১টায় তিনি মারা যান।
বিসিএস অষ্টম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা তার কর্মজীবনে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিচালক, তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালকসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচরে। তার জন্ম ১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে গেছেন। তাকে গতকাল শনিবার শাহজাহানপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
