মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় কোনো রকম ঘাটতি রাখা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, ‘গোটা বিশ্বে করোনার তা-ব চলছে। এর কোনো ভ্যানসিন ও ওষুধ এখনো বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করতে সক্ষম হননি। কিন্তু তাই বলে করোনার বাইরেও মানুষের অন্যান্য রোগব্যাধি তো থেমে থাকবে না। কাজেই মহামারী যতই বৃহৎ আকারে থাকুক মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় কোনো রকম ঘাটতি রাখা যাবে না। দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে শুরু করে শহর, গ্রামে সবখানেই এবং স্বাস্থ্য খাতের সব স্তরে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সমানভাবে অব্যাহত রাখতে হবে।’ গতকাল শনিবার ৩১তম বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কর্র্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী।
জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমাদের অনেক ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও করোনার কারণে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান, জাতির পিতার নামে উদযাপিত মুজিববর্ষকে ঠিকভাবে পালন করতে পারছি না। তাই জনসংখ্যা দিবসের সব কর্মকা- মুজিববর্ষের নামেই উৎসর্গ করছি।’
কভিড মহামারীর কারণে এবার দিবসটি ভার্চুয়াল মাধ্যমে উদযাপন করা হয়। প্রতিপাদ্য রাখা হয়েছে ‘মহামারী কভিড-১৯ কে প্রতিরোধ করি, নারী ও কিশোরীর সুস্বাস্থ্যের অধিকার নিশ্চিত করি।’ দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পর্যায় হতে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সীমিত আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে আলোচনা সভা, প্রেস ব্রিফিং, ক্রোড়পত্র প্রকাশ, পুরস্কার বিতরণ, আইইসি ম্যাটেরিয়াল প্রণয়ন ও প্রচার করা হয়েছে। এছাড়া একটি প্রতিপাদ্য সংগীত ও একটি প্রামাণ্যচিত্রও তৈরি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে করোনাকালে দেশের প্রায় ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাসপাতালসমূহে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ে যে ৫২ হাজার কর্মী নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন সেজন্য তাদের প্রত্যেককে সাধুবাদ জানান ও মানুষের সেবায় প্রত্যেককে আরও নিবেদিত হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আলী নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ইউএনএফপিএর দেশীয় প্রতিনিধি উৎ. অংধ ঞড়ৎশবষংংড়হ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু। অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন আইইএম শাখার পরিচালক ড. আশরাফুন্নেছা।
