করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ১১ হাজার ৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ভাইরাসটির সংক্রমণ ধরা পড়েছে ২ হাজার ৬৬৬ জনের শরীরে।
দেশে গত মার্চের শুরুর দিকে কভিড-১৯ এর সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর রবিবার পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৩৫২ জনে।
আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৮৩ হাজার ৭৯৫ জন। এর মধ্যে ৫ হাজার ৫৮০ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ৯৩ হাজার ৬১৪ জন।
সবশেষ হিসেব অনুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৪.১১ শতাংশ; শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.২৮ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৫০.৯৩ শতাংশ।
দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে রবিবার দুপুরে এসব তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
চব্বিশ ঘণ্টায় যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের ৩৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ২৩ জন; চট্টগ্রাম, খুলনা বিভাগের ছয়জন করে, চারজন করে মৃত্যু হয়েছে রাজশাহী, সিলেট বিভাগে এবং দুজন করে মৃত্যু রংপুর ও বরিশাল বিভাগে।
বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে ৫১-৬০ বছরের মধ্যে, ১৪ জনের মৃত্যু ৬১-৭০ বছরের মধ্যে, ছয়জনের বয়স ৭১-৮০ বছরের মধ্যে, চারজনের বয়স ৪১-৫০ বছরের মধ্যে এবং দুজন করে মৃত্যু হয়েছে ২১-৩০ ও ৮১-৯০ বছর বয়সীদের মধ্যে।
সবশেষ একদিনে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৭৩৭ জনকে, ছাড় পেয়েছেন ৯০৯ জন; বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৭ হাজার ৩১৯ জন।
এই সময়ে কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৫৩১ জনকে, ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৯০০ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৬৩ হাজার ৮৩ জন।
