সেমিনারে আইনমন্ত্রী

সংক্রমণ বাড়লে ভার্চুয়াল আদালতের সাহায্য নিতেই হবে

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২০, ০৭:০৬ এএম

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লে ভার্চুয়াল আদালতের সাহায্য নিতেই হবে। পরিস্থিতি ভালো হলে আদালত স্বাভাবিকভাবেই চলবে। ভার্চুয়াল আদালত কেবল বিশেষ পরিস্থিতিতে বা বিশেষ প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে।’ গতকাল রবিবার অধস্তন আদালতের আইনজীবীদের ‘ভার্চুয়াল আদালত পদ্ধতি ব্যবহারে দক্ষতা উন্নয়ন’ শীর্ষক এক অনলাইন প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি। উদ্বোধনী দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নরসিংদী জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া  হয়। জার্মান উন্নয়ন সংস্থার (জিআইজেড) কারিগরি সহায়তায় ভার্চুয়াল আদালতের বিষয়ে আইনজীবীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে পর্যায়ক্রমে সব জেলা বারের আইনজীবীদের এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস আমাদের কতদিনে ছেড়ে যাবে তা আমরা জানি না। যদি করোনাভাইরাসের প্রকোপ আরও বাড়ে তাহলে আমাদের ভার্চুয়াল কোর্টের সাহায্য নিতেই হবে। কারণ বিচারব্যবস্থার কার্যক্রম চালু রাখতে হবে। স্বাধীন ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তির জন্য জনগণের আশা পূরণ করতেই হবে।’ আনিসুল হক বলেন, ‘সারা বিশ্ব এবং দেশের সব বিভাগ কিন্তু ভার্চুয়ালের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। বিচার বিভাগ যদি ভার্চুয়ালের দিকে এগিয়ে না যায় তাহলে শুধু বিশ্বে নয় দেশেও পিছিয়ে থাকবে। আমরা সমালোচনার সম্মুখীন হব। জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রাখতে চিন্তা করবে। সেসব ক্ষেত্র বিবেচনা করেই সরকার ভার্চুয়াল আদালত সম্পর্কিত প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে সারা বিশ্বে অনেক আদালত বন্ধ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সেখানে একটি বিকল্প ব্যবস্থা করে আদালত চালাতে পেরেছে। এই আদালত পূর্ণাঙ্গভাবে চালাতে গেলে  আইনজীবীদের আবশ্যিকভাবে প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। প্রশিক্ষণ ছাড়া, ভৌত অবকাঠামো গড়া ছাড়া ভার্চুয়াল কোর্ট পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে চালু করা সম্ভব নয়।’ মন্ত্রী জানান, বিচার বিভাগের ডিজিটালাইজেশনের জন্য সরকার প্রায় দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকার ই-জুডিশিয়ারি প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত