ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় শত শত যানবাহন

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২০, ০৬:০০ এএম

ফেরী সংকট ও নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে দেশের সব ফেরিঘাটে পণ্যবাহী ট্রাকের সারি দীর্ঘ হচ্ছে। শত শত পণ্যবাহী ট্রাক ঘাট পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে বলে গতকাল সোমবার রাতে দেশ রূপান্তরের সংশ্লিষ্ট জেলা প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। তবে যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত যানবাহনের চাপ কম রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।    

দেশ রূপান্তরের মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় নৌরুটের পাটুরিয়া প্রান্তে গতকাল সকাল থেকে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় ছিল। এ ঘাটে নিয়মিত ১৬টি ফেরি চলাচল করলেও বর্তমানে চলছে ১২টি। ফেরি সংকট ও পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্র্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিসি)

গত কয়েক দিন ধরে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। চালক ও বিআইডব্লিউটিসির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পদ্মা নদী উত্তাল থাকায় সন্ধ্যার পর মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ী ঘাটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে যশোর-খুলনা ও ফরিদপুর অঞ্চলের অনেক যানবাহন পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ রুট ব্যবহার করছে।

গোয়ালন্দ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ফেরি সংকটের কারণে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ঘাটে ঢাকামুখী প্রায় দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক নদী পারাপারের অপেক্ষায় ছিল।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, এ ঘাটে দিনের বেলা আটটি ফেরি চলাচল করে। সন্ধ্যার পর এসব ফেরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে ঘাটে ৩ শতাধিক ট্রাক ও বেশ কিছু ছোট-বড় যাত্রীবাহী যানবাহন আটকা পড়েছিল। ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৩ শতাশিক পুলিশ মাওয়া ঘাট এলাকায় মোতায়েন করা হবে বলে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ।

দেশ রূপান্তরের মাদারীপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ফেরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গতকাল রাত পর্যন্ত কাঁঠালবাড়ী ঘাটে ঢাকামুখী আড়াইশো পণ্যবাহী ট্রাক ও প্রায় ২ শতাধিক ছোট-বড় যাত্রীবাহী যানবাহন আটকা পড়ে। কাঁঠালবাড়ী ঘাট কর্র্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সন্ধ্যার পর পদ্মা নদী উত্তাল থাকায় ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরদিন ভোরে আবার ফেরি চালু করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত