অস্ত্র মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে সাহেদ

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২০, ০৪:৩৬ এএম

বহু মাত্রিক জালিয়াতিতে আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার অস্ত্র আইনের মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল বুধবার খুলনা থেকে কড়া নিরাপত্তা প্রহরায় সাতক্ষীরার আদালতে হাজির করা হয় তাকে। পরে শুনানি শেষে বিচারক সাহেদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সাতক্ষীরার আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর অমল কুমার রায় জানান, দেবহাটা থানায় করা অস্ত্র আইনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-৬-এর এসআই রেজাউল করিম গতকাল বেলা ১১টা ৪৯ মিনিটে সাহেদকে দেবহাটা আমলি আদালতে হাজির করেন। আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব কুমার রায় ৫৩ মিনিট শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সাহেদ করিম সাতক্ষীরা শহরের প্রয়াত ব্যবসায়ী সিরাজুল করিম ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাফিয়া করিমের ছেলে। তার মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুয়া প্রতিবেদন দিয়ে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ নানা জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে। গত ১৫ জুলাই ভোরে দেবহাটার শাখরা কোমরপুর সীমান্তের লবঙ্গবতী নদী থেকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে একটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও তিনটি গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে ওই দিন রাতে র‌্যাব অস্ত্র আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে সাহেদকে প্রধান আসামি করে দেবহাটা থানায় মামলা করে। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান দেবহাটা থানার পরিদর্শক উজ্জ্বল কুমার মৈত্র। এরপর ২২ জুলাই মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব র‌্যাবকে দেওয়া হয়। মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হন খুলনা র‌্যাব-৬-এর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের এসআই রেজাউল করিম। তিনি ২৩ জুলাই সাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। ২৬ জুলাই আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করে। এরপর ২৭ জুলাই সাহেদকে ঢাকা থেকে খুলনায় র‌্যাব কার্যালয়ে আনা হয়। রিমান্ডের অংশ হিসেবে ৩০ জুলাই তাকে দেবহাটার কোমরপুর সীমান্তে আনা হয়েছিল। পরে আবার খুলনায় নিয়ে যাওয়া হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত