পাবনার ঈশ্বরদীতে চকলেট দেওয়ার কথা বলে পাঁচ বছরের এক শিশুর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে বাবুল হোসেন ওরফে বাবুল্লা (৪২) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। গত সোমবার বিকেলের এই ঘটনা ওই দিন রাতেই ১৭ হাজার টাকায় রফা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঈশ্বরদী শহরের শেরশাহ রোডস্থ প্রামাণিক পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। শিশুর পরিবার ও এলাকার একাধিক লোক জানান, সোমবার বিকেলে ওই এলাকার জিন্নাহ প্রামাণিকের বাড়ির ভাড়াটিয়া শিবলী প্রামাণিকের শিশুকন্যা লামিয়া খাতুন (৫) বাড়ির সামনে খেলা করছিল। সেই সময় একই এলাকার দুদু প্রামাণিকের বাড়ির ভাড়াটিয়া বাবুল হোসেন ওই শিশুকে চকলেট দেওয়ার কথা বলে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ের শিশুটিকে তার ঘরে নিয়ে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। সেই সময় শিশুটির চিৎকারে বাবুল তাকে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি তার মাকে জানায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তবে ওইদিন রাতেই স্থানীয় প্রভাবশালীদের মধ্যস্থতায় মাত্র ১৭ হাজার টাকায় ঘটনাটির মীমাংসা করা হয়।
শিশুর বাবা শিবলী প্রামাণিক গতকাল মঙ্গলবার অভিযোগ করেন, তিনি ভাড়াটিয়া হওয়ায় প্রভাবশালীদের চাপে মীমাংসা করতে বাধ্য হয়েছেন।
বাবুলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে তার স্ত্রী বেলি বেগম ১৭ হাজার টাকায় ঘটনার মীমাংসা হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফিরোজ কবীর। তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাচ্ছে না।
