যশোর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে বন্দি কিশোরদের দুটি পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে তিন কিশোর নিহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছে আরও অন্তত পাঁচজন। বিভিন্ন অপরাধে আটক কিশোরদের এই কেন্দ্রে রাখা হয়।
সংঘর্ষে নিহতরা হলো খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা পশ্চিম সেনপাড়ার রোকা মিয়ার ছেলে পারভেজ হাসান রাব্বি, বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মহিপুর গ্রামের আলহাজ নুরুল ইসলাম নুরুর ছেলে রাসেল সুজন এবং বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার তালিপপুর পূর্বপাড়ার নানু প্রামাণিকের ছেলে নাঈম হোসেন।
যশোর কোতোয়ালি থানার এসআই সেকেন্দার আবু জাফর জানান, গতকাল বিকেলে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ভেতরে দুই দল কিশোর লাঠিসোঁটা নিয়ে মারামারিতে জড়ায়। এ সময় তিন কিশোর নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তারা সন্ধ্যায় লাশ হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যান।
এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, কী কারণে এই হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অমিয় দাস জানান, দেড় ঘণ্টার ব্যবধানে তিনটি মরদেহ আসে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে। সন্ধ্যা ৬টা ৩৮ মিনিটে নাইম হাসান, সাড়ে ৭টায় পারভেজ হাসান এবং রাত ৮টায় আসে রাসেলের মরদেহ।
এই চিকিৎসক বলেন, ‘নিহতদের একজনের মাথায় ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। অন্যদের শরীরে এখন পর্যন্ত কোনো আঘাত শনাক্ত হয়নি।’
কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে মরদেহ নিয়ে আসা এক ব্যক্তি নিজেকে ওই প্রতিষ্ঠানের বার্তাবাহক হিসেবে পরিচয় দেন। কিন্তু সংঘর্ষের কারণ নিয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি।
