বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য দেশ রূপান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের কর্মকর্তারা জানান, গত বছর নভেম্বরে দুদক সম্রাটের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে। এ মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
দুদকের তদন্ত দলের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের তদন্ত দল সম্রাটের কয়েক সহযোগীর বিষয়েও খোঁজখবর নিচ্ছে। তার ক্যাসিনো কারবারে সহযোগী হিসেবে আবদুল হান্নান সিদ্দিকী, নিক্সন, রাজু, মোতালেব হাজারী, আসাদসহ আরও কয়েকজনের অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গত বছর ৫ অক্টোবর সম্রাটকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। ওইদিনই তাকে যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তার কাকরাইল কার্যালয়ে ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ায় ওইদিনই তাকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় র্যাব। এরপর অস্ত্র ও মাদক আইনে সম্রাটের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দেওয়া হয়। এছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা করে দুদক। গ্রেপ্তারের পর থেকে কারাগারে আছেন তিনি।
