করোনার মধ্যে দেশের পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
বুধবার ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে প্লাজমা ও ব্লাড ডোনেশন সেন্টারে দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি কথা বলেন।
এর আগে সদ্য করোনামুক্ত হয়ে প্লাজমা ডোনেট করতে সেখানে যান বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘রুমিন ফারহানা এখনো পুরো সুস্থ না, কিন্তু তবুও তিনি প্লাজমা দিতে এসেছেন, এটা চমৎকার ব্যাপার। আমরা গৌরব বোধ করছি রুমিন নিজ থেকে এটা করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করিনি। তিনি খুব সজাগ একজন নাগরিক যিনি জনগণের জন্য এতটাই ভাবেন। রুমিন ফারহানা একটা চমৎকার উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন।’
গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি বলেন, ‘আমি চাই করোনা থেকে সুস্থ অন্য এমপিরাও প্লাজমা দানে এগিয়ে আসবেন। যারা করোনা আক্রান্ত নন, তারাও নিয়মিত রক্তদানে এগিয়ে আসতে পারেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশে প্লাজমা সংগ্রহ এখনো পর্যাপ্ত নয়। তাই প্রতিটি করোনা আক্রান্ত মানুষকে প্লাজমা দানে এগিয়ে আসতে হবে। একজন মানুষের প্লাজমা দিয়ে পাঁচজন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া যায়।’
এ সময় রুমিন ফারহানা বলেন, ‘করোনা লুকিয়ে রাখার বিষয় নয়। সে কারণে করোনা পজিটিভ জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি ফেইসবুকে সেটা জানিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘করোনার শুরু থেকেই আইসিইউ-ভেন্টিলেটর দূরেই থাকুক, সরকারি হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত অক্সিজেনও নেই। প্লাজমা থেরাপির মাধ্যমে রোগীদের যদি আইসিইউ পর্যন্ত যেতে না হয়, বা রেমডিসিভিরের মতো দামি ওষুধ নিতে না হয়, তাহলে সেটাও অনেক বড় একটা প্রাপ্তি।’
