সীমান্তে মিয়ানমারের সেনা টহল বৃদ্ধি বাংলাদেশের উদ্বেগ

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:২৯ এএম

সীমান্তে মিয়ানমার সেনাদের সন্দেহজনক গতিবিধি বেড়ে যাওয়ায় দেশটির রাষ্ট্রদূতকে ডেকে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল রবিবার বিকেলে রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে ডেকে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত শুক্রবার থেকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি মিয়ানমারের সৈন্যদের টহল স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়েছে বলে দেখা গেছে।

তবে তাদের ধারণা, রাখাইনের আরাকান আর্মির সঙ্গে যে সংঘাত চলমান, তার অংশ হিসেবে সৈন্যদের আসা-যাওয়া হতে পারে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার সেলের মহাপরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশের উদ্বেগ জানিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাকে ডেকে বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের বার্তা তার দেশের যথাযথ কর্র্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিতেও বলা হয়েছে।

গত শুক্রবার ভোরে কা নিউন ছুয়াং, মিন গা লার গি ও গার খু ইয়াদুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের এ তিন পয়েন্টে ট্রলার থেকে সৈন্যরা নেমেছেন। এর সীমান্ত পয়েন্টগুলোর মধ্যে অন্তত একটির দূরত্ব আন্তর্জাতিক সীমান্তের ২০০ মিটারের মধ্যে। ওই তিন পয়েন্টে মাছ ধরার ট্রলারের কাঠের নিচে বসিয়ে সৈন্যদের জড়ো করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে অন্তত এক দিনেই এক হাজারের বেশি মিয়ানমারের সৈন্যদের আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের উদ্বেগ জানানোর জন্য মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে ডাকা হয়েছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

দেলোয়ার হোসেন জানান, সাধারণত দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের সেনা টহল যদি বাড়ে এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের রাষ্ট্রদূতকে ‘তলব’ করে প্রতিবাদ জানানো হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় সেনা টহল বেড়েছে, কিন্তু কোনো আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হয়নি, সে কারণে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত