কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমলেও তীব্র হয়েছে ভাঙন

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০১ পিএম

ধরলা নদীর পানি দ্রুতগতিতে কমতে থাকায় কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। এছাড়া ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানিও কমতে শুরু করেছে। তবে রোপা আমনসহ বিভিন্ন ফসল এখনো পানিতে তলিয়ে থাকায় এগুলো নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ব্রহ্মপুত্র নদের নুনখাওয়া পয়েন্টে ও চিলমারী পয়েন্টে পানির উচ্চতা পরিমাপক রুস্তম আলী ও মাহফুজ রহমান জানান, রাতে পানি বাড়লেও শুক্রবার সকাল থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ছিল স্থির। বিকেল ৩টা থেকে পানি কমতে শুরু করেছে। তারা পানির গতি-প্রকৃতি দেখে মনে করছেন পানি আরও কমবে। পানির উচ্চতা বিপদ সীমা অতিক্রম করবে তারা মনে করছেন না।

এদিকে পানি কমায় ভাঙন তীব্র হয়েছে। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান জানান, গত দুই দিনে ধরলার ভাঙনে ইউনিয়নের জগমনের চর এলাকার ৫৪টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। এসব পরিবার খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। এ ছাড়া ১৩শ ৫০টি পরিবার এখনো পানিবন্দী জীবন-যাপন করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, উজানে বৃষ্টিপাত কমায় কুড়িগ্রামের ১৬ টি নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। ধরলা ছাড়া সব নদীর পানি বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমা অব্যাহত থাকবে। বড় কোনো বন্যার শঙ্কা নাই বলেও তিনি জানান। এছাড়া ১০ টি পয়েন্টে ভাঙন শুরু হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত