‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ ও গ্রন্থাগার হচ্ছে সচিবালয়ে

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২০, ০২:০৩ এএম

প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়ের অভ্যন্তরে হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার ও গ্রন্থাগার’। সচিবালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আগত বিদেশি অতিথি ও দর্শনার্থীদের বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানাতে এ উদ্যোগ নিয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এজন্য স্থান নির্বাচন করতে চিঠি পাওয়ার পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ইডেন বিভাগ থেকে তিনটি জায়গা পছন্দ করে নকশা আকারে প্রতিবেদন তৈরি করে সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হয়। সব কিছু ঠিক থাকলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সচিবালয়ে বসবে এ স্থাপনা।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত মাসের শুরুতে সচিবালয়ের অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধু কর্নার ও গ্রন্থাগার বসানোর স্থান নির্বাচনের জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়। সেই চিঠি পেয়ে পূর্ত মন্ত্রণালয়ে উপসচিব মো. ছিদ্দিকুর রহমান গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে গত ৯ সেপ্টেম্বর একটি চিঠি দেন। সেখানে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সচিবালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আগত বিদেশি অতিথি ও দর্শনার্থীদের বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে সম্যক অবহিত করার জন্য সচিবালয়ের অভ্যন্তরে যেকোনো উন্মুক্ত স্থানে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ ও গ্রন্থাগার স্থাপন করার স্থান বরাদ্দের বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে মতামত দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে থাকে। সেখানে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপনের বিষয়টি খুব ভালো উদ্যোগ। আমরা চিঠি পাওয়ার পর স্থান নির্বাচনের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছি। এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে গণপূর্ত অধিদপ্তর পূর্ণ সহযোগিতা করবে।’

এ চিঠি পাওয়ার পর গণপূর্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তিনটি স্থান বাছাই করা হয়েছে বলে জানা গেছে। নকশা আকারে এ তিনটি স্থান চিহ্নিত করে গত ২৪ সেপ্টেম্বর যথাযথ কর্র্তৃপক্ষকে অবহিত করেন গণপূর্তের ইডেন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল হালিম। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘চিঠি পাওয়ার পর আমরা সরেজমিন ঘুরে ডিজিটাল সার্ভের মাধ্যমে তিনটি স্থান বাছাই করেছি। এগুলো হলো ৫ নম্বর ভবন ও ৬ নম্বর ভবনের মাঝখানের উন্মুক্ত স্থান, ২ নম্বর ভবন ও ৩ নম্বর ভবনের মাঝখানের স্থান এবং ২ নম্বর ভবনের সামনের উন্মুক্ত স্থান। এ তিনটি জায়গা তুলনামূলকভাবে ভালো বলে আমাদের কাছে মনে হয়েছে। এরপরও যদি প্রত্যাশিত মন্ত্রণালয় স্থান নির্বাচনের বিষয়ে আরও কোনো চাহিদা থাকে সে বিষয়েও আমরা ব্যবস্থা নেব।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত