বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী জাপানি কোম্পানিগুলো। প্রতি বছর ৫০টি কোম্পানি দেশে বিনিয়োগ করতে পারে। কিন্তু বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন হলেও রয়েছে অনেক সীমাবদ্ধতা। বিনিয়োগকারীরা আরও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ চান। কর সংক্রান্ত অনেক জটিলতা রয়েছে। এগুলো দ্রুত সমাধান করলে জাপানসহ অন্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ বিনিয়োগের আকর্ষণীয় স্থান হবে। দেশে তৈরি সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে এসব প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করতে হবে। গতকাল বুধবার জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ইউজি অ্যান্দো পল্টন টাওয়ারে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) কার্যালয় পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, এখনো সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ হতে পারে জাপানের অন্যতম বিনিয়োগ স্থান। সে জন্য বাংলাদেশ সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ সময় ইআরএফ সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল, সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম, বার্তা সংস্থা এএফপির ব্যুরো চিফ এম শফিকুল আলম, রয়টার্সের সাবেক ব্যুরো চিফ সিরাজুল ইসলাম কাদিরসহ ইআরএফ নির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ইউজি অ্যান্দো বলেন, চীন থেকে বেশিরভাগ কোম্পানির কারখানা স্থানান্তর হবে বলে অনেকে মনে করছেন। কিন্তু বাস্তবে ততটা হবে না। কোম্পানিগুলো কারখানা চীনে রেখে অন্যান্য দেশে নতুন কারখানা করতে পারে। আর কারখানা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো অগ্রাধিকার পাবে। তিনি সংশ্লিষ্ট দেশ ও বিনিয়োগকারীর সম্পর্ককে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হিসেবে অভিহিত করে বলেন, বাংলাদেশ সরকার জাপানের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও উন্নয়নের মাধ্যমে বেশি জাপানি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পারে। এর সম্ভাবনাও রয়েছে। এ জন্য বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো নিরসনের উদ্যোগ সরকারকে নিতে হবে।
