স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৯ দফা

ধর্ষণকারীদের শাস্তির দাবিতে দেশজুড়ে সমাবেশ

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২০, ০২:১৮ এএম

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও সিলেটের এমসি কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে দেশজুড়ে গতকাল শুক্রবারও সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন সংগঠন। রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘ধর্ষণ ও নির্যাতনবিরোধী বাংলাদেশ’ ব্যানারে গতকাল পঞ্চম দিনের মতো সমাবেশ করে বিভিন্ন বাম সংগঠন। এতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবি জানানো হয়। এছাড়া রাজধানীর বিজয়নগরে বিভিন্ন ইসলামিক সংগঠন নারী নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে সমাবেশ করে।

শাহবাগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স বলেন, সরকার তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় এসব ধর্ষণকা-কে একধরনের উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে। তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, ‘গত ৯ মাসে দেশে ৯৭৫টি ধর্ষণ, ২৪২টি দল বেঁধে ধর্ষণ ও ৫৬ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। আমরা যে রাষ্ট্রে বসবাস করছি সেখানে নারীকে পণ্য হিসেবে পরিণত করা হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ধর্ষণের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক জাগরণ তৈরি করব। ধর্ষণকে দেশ থেকে উচ্ছেদ করে ছাড়ব।’

সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ‘১৬ অক্টোবরের মধ্যে আমাদের ৯ দফা দাবি মেনে না নেওয়া হলে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ অভিমুখে ধর্ষণবিরোধী লংমার্চ করব।’ তিনি কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, ‘ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে ধর্ষণ ও নির্যাতনবিরোধী বাংলাদেশ প্ল্যাটফরমের ব্যানারে বামধারার ছাত্র সংগঠনগুলো প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেবে। এছাড়া ১১ অক্টোবর ধর্ষণবিরোধী আলোকচিত্র প্রদর্শনী, ১২ অক্টোবর সাংস্কৃতিক সমাবেশ, ১৩ অক্টোবর চলচ্চিত্র উৎসব, ১৪ অক্টোবর নারী সমাবেশ ও ১৫ অক্টোবর ঢাকায় ধর্ষণবিরোধী সাইকেল র‌্যালি করব আমরা।’ এর আগে মহাসমাবেশের শুরুতে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। এ পর্বটি সঞ্চালনা করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জামশেদ আনোয়ার তপন।

সমাবেশ থেকে সরকারের কাছে যে ৯ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে সারা দেশে অব্যাহত ধর্ষণ-নারীর প্রতি সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, ধর্ষণ, নিপীড়ন বন্ধ ও বিচারে ‘ব্যর্থ’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অপসারণ বা তার পদত্যাগ করা, পাহাড়ি-সমতলে নারীদের ওপর সামরিক-বেসামরিক সবধরনের যৌন ও সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করা, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে নারী নির্যাতনবিরোধী সেল কার্যকর করা, সিডও সনদে স্বাক্ষর ও তার পূর্ণ বাস্তবায়ন করা, নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক সব আইন ও প্রথা বিলোপ করা, সবধরনের সভা-সমাবেশে নারীবিরোধী বক্তব্য শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা, সাহিত্য, নাটক, সিনেমা, বিজ্ঞাপনে নারীকে পণ্য হিসেবে উপস্থাপন বন্ধ করা, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণে বিটিসিএলের কার্যকর ভূমিকা রাখা, সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক চর্চায় সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা, মামলার তদন্তে ভিকটিমকে মানসিক নিপীড়ন-হয়রানি বন্ধ করা, ভিকটিমের আইনগত ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধবিজ্ঞান ও জেন্ডার বিশেষজ্ঞদের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অন্তর্ভুক্ত করা, অনিষ্পন্ন সব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা, সাক্ষ্য আইন ১৮৭২-১৫৫ (৪) ধারা বিলোপ করতে ও মামলার ডিএনএ আইনকে সাক্ষ্য প্রমাণের ক্ষেত্রে কার্যকর করা, পাঠ্যপুস্তকে নারীর প্রতি অবমাননা ও বৈষম্যমূলক যেকোনো প্রবন্ধ, নিবন্ধ, পরিচ্ছেদ, ছবি, নির্দেশনা ও শব্দচয়ন পরিহার করা এবং গ্রামীণ সালিশের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বাংলাদেশে উদীচী শিল্পগোষ্ঠী, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন, হেলথ সার্ভিস ফোরাম, ডক্টরস ফর হেলথ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সাংস্কৃতিক জাগরণের আহ্বান : নারী নিপীড়ক ও সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় বন্ধ করার পাশাপাশি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সারা দেশে সাংস্কৃতিক জাগরণ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন সংস্কৃতিকর্মীরা। গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় নাট্যশালার সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এ কথা বলেন তারা। বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার ও আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ আয়োজিত ধর্ষণ, নারী নিপীড়নবিরোধী এ প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ, সহসভাপতি ঝুনা চৌধুরী, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহকামউল্লাহ প্রমুখ।

ধর্ষণ প্রতিরোধে কনসার্ট : শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে আন্দোলন’ ব্যানারে ‘ধর্ষণ প্রতিরোধে কনসার্ট’ হয় গতকাল বিকেল ৫টায়। কনসার্টের সূচনা বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবির। এছাড়া গান ও কবিতা পরিবেশন করে বিবর্তন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, মুক্তির মঞ্চ, বক্র রেখা, আনা, শূন্য, কবি মাশুক শাহী, হাসান ফকরি এবং শানিলা আরফিন শিফা। এ কর্মসূচিতে সংহতি জানান জাতীয় যুব পরিষদের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম বকুল, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ ঢাকা মহানগর সম্পাদক নজরুল ইসলাম, বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের রিয়াজ মোর্শেদ, রফিকিল আমিন, কৃষ্ণকলি, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুজন, আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অলীক মৃ, বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের দপ্তর সম্পাদক আবদুল মমিন, গণসংস্কৃতিক ফ্রন্টের সহসভাপতি জাকির হোসেন। বিবর্তনের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুন নুজহাত মনিষার সঞ্চালনায় কনসার্টটি পরিচালিত হয়।

নারায়ণগঞ্জে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া : নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদল ধর্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়েছে। গতকাল বিকেল ৪টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে ছাত্রদলের কয়েকশ নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে যোগ দেন। মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি শাহেদ আহমেদ জানান, ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী ধর্ষণের প্রতিবাদে মাঠে নামার পর পুলিশ অতর্কিত হামলা করে। এতে তাদের গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অধিকার হরণ করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ওসি আসাদুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে জানান, রাস্তা বন্ধ করে মিছিল করায় তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

খুকৃবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন : নিজস্ব প্রতিবেদক খুলনা থেকে জানান, ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুকৃবি) শিক্ষার্থীরা। সকালে নগরীর দৌলতপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এ মানববন্ধন করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও অংশ নেন। সমাবেশে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তৃতা করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শহীদুর রহমান খান। বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. আশিকুল আলম, সহকারী অধ্যাপক ড. এমএ হান্নান, ড. তসলিম হোসেন, প্রভাষক ডা. শাহাবুদ্দিন আহমেদ, প্রভাষক তপতী রায়, শিক্ষার্থী পিয়াল রায় ও শামিমা বর্ষা।

রাজশাহীতে পুলিশের বাধা : নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী থেকে জানান, রাজশাহীতে পুলিশের বাধায় শিক্ষার্থীদের ধর্ষণবিরোধী সমাবেশ পণ্ড হয়ে গেছে। গতকাল সকালে শিক্ষার্থীরা মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে এ সমাবেশ করতে চাইলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। নগরীর বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণসহ পুলিশের একটি দল সেখানে উপস্থিত হয়। পুলিশের বাধার মুখে পড়ে শিক্ষার্থীরা সমাবেশ না করে ফিরে যান। নিবারণ চন্দ্র বর্মণ জানান, শিক্ষার্থীরা আগের দিন কর্মসূচি থেকে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে শুক্রবার তাদের কোনো কর্মসূচি নেই। যারা সমবেত হয়েছিল তারা কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই সেখানে কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করেছিল।

সুনামগঞ্জে উদীচীর মানববন্ধন : সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সুনামগঞ্জে মানববন্ধন করেছে সুনামগঞ্জ জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় পৌর শহরের আলফাত স্কয়ার এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশ নেন।

জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা উদীচীর সভাপতি শীলা রায়, জেলা মহিলা পরিষদের সভাপতি গৌরী ভট্টাচার্য, জেলা সিপিবির সভাপতি চিত্তরঞ্জন তালুকদার, বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী অ্যাডভোকেট দেবদাস চৌধুরী রঞ্জন, অ্যাডভোকেট প্রসেনজিৎ দে, অ্যাডভোকেট এনাম আহমদ।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জানান, দেশে ক্রমবর্ধমান ধর্ষণের প্রতিবাদে ও বিচারের দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলন করেছেস বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মশাল মিছিল ও ধর্ষকের প্রতীকী কুশপুত্তলিকা প্রদাহ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মশাল মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা বলেন, আজ ঘরে-বাইরে কোথায়ও নারী নিরাপদ নয়। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা। শিক্ষার্থীরা বলেন, আজ ধর্ষকের কুশপুত্তলিকা প্রদাহের মাধ্যমে ধর্ষকের চূড়ান্ত অবমাননা করা হয়েছে এবং মশাল মিছিলের মাধ্যমে জনগণকে সম্পৃক্ত করা এবং সারা দেশে চলমান ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানানো হয়েছে।

মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান তমাল ধর্ষণের বিরুদ্ধে তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ধর্ষণে হামলাগুলোর দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন করার জন্য একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে যা ৯০ দিনের মধ্যে ধর্ষণের বিচারকাজ সম্পন্ন করবে। ধর্ষণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তিু মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। এছাড়াও ধর্ষণে সহায়তাকারী, তদন্তে অনিয়মকারী, সালিশের মাধ্যমে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপাকারীদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে হবে। ধর্ষণের শিকার নারীকে সমাজে হেয়প্রতিপন্নকারীকেও আইনের আওতায় আনতে হবে।

গত মঙ্গলবার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও সিলেটের এমসি কলেজে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের প্রতিবাদ জানিয়ে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে ঘোষণা দেন তারা। তারই অংশ হিসেবে পরদিন প্রদীপ প্রজ্বালন, বৃহস্পতিবার ধর্ষকের প্রতীকী ফাঁসি কার্যকরের মতো কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত