করোনাভাইরাসের কারণে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে।
গতকাল রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) এ তথ্য জানিয়েছে কোম্পানি। সেই সঙ্গে তিনটি নতুন সহযোগী প্রতিষ্ঠান খুলে তিনটি সমুদ্রগামী জাহাজের মালিকানা হস্তান্তরের পরিকল্পনাও আপাতত বাদ দিয়েছে এমআই সিমেন্ট। গত বছরের প্রথম দিকে সিমেন্ট উৎপাদনের জন্য ৬ নম্বর ইউনিট বানানোর ঘোষণা দিয়েছিল এমআই সিমেন্ট।
ডিএসইতে দেওয়া ঘোষণায় কোম্পানিটি বলছে, মহামারীর কারণে আন্তর্জাতিক ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ। ৬ নম্বর ইউনিট বানানোর জন্য অর্থের জোগানও বন্ধ হয়ে গেছে। তা ছাড়া বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতার চেয়েও চাহিদা কম। তাই প্রকল্পটি বাদ দেওয়া হলো।
মালিকানা হস্তান্তরের আওতায় থাকা সমুদ্রগামী জাহাজ তিনটির মালিকানা এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরির থাকছে। যে তিনটি কোম্পানি খোলা হয়েছিল সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এসব খবরের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল ডিএসইতে এমআই সিমেন্টের শেয়ারদর কমেছে। এদিন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয় ৪৩ টাকা ৮০ পয়সায়। গত বৃহস্পতিবার শেয়ারটি লেনদেন হয়েছিল ৪৪ টাকা ৪০ পয়সায়।
২০১৭-১৮ অর্থবছর এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি মুনাফা করে ৩১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। লভ্যাংশ দিয়েছে প্রতি শেয়ারে ১ টাকা ৫০ পয়সা। ২০১৮-১৯ অর্থবছর এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি মুনাফা করেছিল ২৫ কোটি ১২ লাখ টাকা। লভ্যাংশ দিয়েছে প্রতি শেয়ারে ১ টাকা।
পুঁজিবাজারে কোম্পানিটির ১৪ কোটি ৮৫ লাখ শেয়ার আছে। এর মধ্যে ৬৭ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ আছে পরিচালকদের হাতে। এ ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৭ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আছে দশমিক ২২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৫ দশমিক শূন্য ৬৭ শতাংশ শেয়ার আছে।
এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের বর্তমান বাজার মূলধন ৬৫৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা; রিজার্ভের পরিমাণ ২৭১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।
