মনে গেঁথে আছে কথা আর সুর

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২০, ১১:৩৭ পিএম

করোনার কারণে স্টেজ শো, গান রেকর্ডিং থেকে বিরত ছিলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীর। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হওয়ায় কদিন আগে গাজীপুরে একটি স্টেজ শোতে অংশ নিয়েছেন। ফিরেছেন গান রেকর্ডিংয়েও। তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ

অনুদানের সিনেমায়...

মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত সরকারি অনুদানের সিনেমা ‘আশীর্বাদ’-এর একটি গানে এরই মধ্যে কণ্ঠ দিয়েছি। গানটি লিখেছেন সুদীপ কুমার দীপ। আমেরিকায় বসে গানটির সুর সংগীত করেছেন ইমন সাহা। আমার সহশিল্পী ইমরান। এটি রোমান্টিক গান। গানটির কথা যেমন চমৎকার, তেমনি দারুণ সুর এবং সংগীতায়োজন হয়েছে। আমার মনে গেঁথে আছে কথা আর সুর। মনের মাধুরী মিশিয়ে গানটি গেয়েছি। সত্যিই আমি ভীষণ আশাবাদী গানটি নিয়ে। আমি বেশিরভাগ সময় একটু রিদমিক গান করি। কিন্তু এ সিনেমার গল্পের জন্য আমাকে নিজের ধারার বাইরে বের হতে হয়েছে। একেবারেই অন্যরকম মেলোডিয়াস একটি গান। গানটিতে শ্রোতা-দর্শকরা নতুন একজন আঁখি আলমগীরকে পাবেন।

আলাউদ্দিন আলী ও জাফর ইকবাল...

গত ২৭ সেপ্টেম্বর নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ‘শেষ করো না শুরুতে খেলা’ গানটি কভার করে প্রকাশ করেছি। প্রায় ৪০ বছরের পুরনো এ গানটির সঙ্গে রয়েছে দুজন প্রয়াত বিশেষ মানুষের ছায়া। মনিরুজ্জামান মনিরের লেখা বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য আশির দশকে গানটি তৈরি করেছিলেন সদ্য প্রয়াত সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী। আর তাতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন কিংবদন্তি রুনা লায়লা ও অকাল প্রয়াত নায়ক-গায়ক জাফর ইকবাল। দারুণ জনপ্রিয় সেই গানটি এবার জে কে মজলিশের নতুন সংগীতায়োজনে আমি গেয়েছি। মিউজিক ভিডিও তৈরি করেছেন হাবিব। ছোটবেলা থেকে কেন জানি এ গানটি আমার অসম্ভব পছন্দের। এর কথা-সুর সত্যিই অসাধারণ। গানটি আমি গেয়েছি আলী চাচার অনুমতি নিয়ে তিনি বেঁচে থাকতেই। রেকর্ডিং করেছি লকডাউনের কয়েক দিন আগে। এরপর থেকে তো ঘরবন্দি। এর মধ্যে আলী চাচাও চলে গেলেন। আফসোস, তাকে গানটি শোনাতে পারলাম না। সেই আক্ষেপ থেকে নতুন ভার্সনের গানটি উৎসর্গ করেছি আলাউদ্দিন আলীকে। এটি জাফর ইকবালের জন্মদিনের উপহারও বটে। গানটির শুরুতে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন তার কন্যা আলিফ আলাউদ্দিন।

স্টেজ শো...

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই আমি স্টেজ শো নিয়ে খুব ব্যস্ত। কিন্তু করোনার জন্য দীর্ঘদিন স্টেজে গান না করার বিষয়টি সত্যি আমাকে কষ্ট দিয়েছে। অবশেষে গাজীপুরের একটি শোতে গেয়ে ভীষণ আনন্দ লেগেছে। স্টেজ শো আমার সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যের জায়গা। যখন স্টেজ শো শুরু করি তখন থেকে এখন পর্যন্ত আমার পরিবেশনায় নিজস্বতা ধরে রাখার চেষ্টা করেছি। যখন নতুন কিছু দেখানো যায় তখনই দর্শক সেটা গ্রহণ করে। তাই হয়তো আমার স্টেজ পারফরমের বিষয়টি নিয়ে সবাই আলাদা করে কথা বলে। আমি চেয়েছি, আমি কাউকে কপি করব না, হয়তো একসময় আমাকে অনেকে অনুকরণ করবে। এখন অনেক শিল্পীকে দেখি হুবহু আমাকে অনুকরণ করে স্টেজে পারফরম করতে। এটা আমাকে খুব আনন্দ দেয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত