বালিশকান্ড

মামলার তদন্ত ছয় মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২০, ০২:৪৭ এএম

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের একটি ভবনের আসবাবসামগ্রী অস্বাভাবিক দামে কেনার অভিযোগে দুর্নীতির মামলার তদন্ত কার্যক্রম ছয় মাসের মধ্যে শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মামলার অন্যতম আসামি প্রকল্পের উপসহকারী প্রকৌশলী (বরখাস্ত) শফিকুল ইসলামের জামিন শুনানিকালে গতকাল সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালত শফিকুলকে তিন মামলায় জামিন না দিয়ে জামিনের বিষয়ে এর আগে দেওয়া রুল ছয় মাসের জন্য স্ট্যান্ডওভার (মুলতবি) রাখে। একই সঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে মামলার তদন্তকাজ শেষ করে বিচারিক আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়। এর আগে গত ১৭ আগস্ট শফিকুলের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহজাবিন রাব্বানী দীপা এবং জামিন আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন সাঈদ আহমেদ রাজা।

অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ ঘটনায় তিনটি মামলায় জামিনের আবেদন করেছিলেন শফিকুল। আদালত তিনটিতে রুল দিয়েছিল। আজ (গতকাল) হাইকোর্টের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে রুল ছয় মাসের জন্য স্ট্যান্ডওভার রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলাগুলোর তদন্তকাজ ছয় মাসের মধ্যে শেষ করতে বলেছে হাইকোর্ট। দুদককে হাইকোর্টের এ আদেশটি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের গ্রিনসিটি আবাসন পল্লীর একটি ভবনের আসবাব, বালিশসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা ও তা ভবনে তোলায় অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে গত বছর ১৬ মে দৈনিক ‘দেশ রূপান্তর’ পত্রিকায় ‘কেনা-তোলায় এত ঝাঁজ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে ওই ভবনের আসবাব ও অন্যান্য সামগ্রী কেনায় মারাত্মক দুর্নীতির চিত্র উঠে আসে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত