রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে হাত পা বেঁধে কিশোরীকে ধর্ষণ

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৪২ এএম

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে এক কিশোরীকে (১৪) হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের রাজকান্দি গ্রামের পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় ভুক্তভোগীর স্বজনরা। এ ঘটনায় রাতে শাকিল মিয়া (২১) নামে পাশের গ্রামের এক তরুণের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত শাকিল রাজকান্দি গ্রামের বশির মোল্লার ছেলে। ধর্ষণের শিকার কিশোরী বর্তমানে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এদিকে পঞ্চগড় সদর উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধূকে (২০) রাতভর দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার রাতে জেলা শহরের মৈত্রী ফিলিং স্টেশন এলাকার ওই ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত চার যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার যুবকরা হলো একই উপজেলার সোনাপাড়া এলাকার জাহিদুল ইসলাম রতন (২৫),আমিরুল ইসলাম (৩০), পৌরসভার নিমনগর এলাকার শহিদুল ইসলাম (২৭) ও শিকারপুর এলাকার নুর আলম (২৪)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, মঙ্গলবার সকালে কমলগঞ্জের সীমান্তবর্তী দক্ষিণ কানাইদাসী গ্রামের ওই কিশোরী তার চাচার বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি ফিরছিল। পথে পাশের রাজকান্দি গ্রামের শাকিল মিয়া তার গতিরোধ করে। পরে তাকে জোরপূর্বক পাশের একটি পাহাড়ি টিলায় উঠিয়ে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় সে। এরপর সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। পরে ঘটনাটি স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুলেমান মিয়াকে জানালে পুলিশকে অবহিত করেন তিনি।

ইসলামপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সুলেমান মিয়া জানান, এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মেয়েটিকে হাত-পা বাঁধা অবস্থা থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটি জানায়, শাকিল তাকে ধরে নিয়ে ধর্ষণ করেছে। পরে খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এরপর মেয়েটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

মেয়েটির বাবা কুদ্দুছ মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়েকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’

কমলগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) সুধীন চন্দ্র দাশ জানান, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পঞ্চগড়ের ঘটনায় মামলার এজাহারে বলা হয়, মোবাইলের রং নম্বরে রতনের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই গৃহবধূর। গত সোমবার রাতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায় রতন। পরে পঞ্চগড় শহরের মৈত্রী ফিলিং স্টেশনের সামনে গাড়ি থামিয়ে মাইক্রোচালক শহিদুলসহ গৃহবধূকে রাতভর ধর্ষণ করে সে। নুর আলম ও আমিরুল এ কাজে তাদের সহযোগিতা করে। বাড়ি ফিরে মঙ্গলবার রাতে ওই গৃহবধূ তার স্বামীকে নিয়ে বোদা থানায় চারজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। মামলার পর রাতেই ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বোদা থানার ওসি (তদন্ত) আবু সায়েম মিয়া জানান, আদালতের মাধ্যমে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত