করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২০, ০৮:১১ এএম

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলেও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, বিশ্বের অনেক দেশেই কভিডের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। আমাদের দেশে আগামী শীত মৌসুমে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার ব্যাপারে কথা হচ্ছে। তবে আমরা কভিডের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। সম্মিলিতভাবেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করা হবে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ব্লকের অডিটরিয়ামে স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস ২০২০’ পালন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

দেশে করোনার ভ্যাকসিন আনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুতই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সন্ধানীর সেবাদান প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সন্ধানী ৪৩ বছর যাবৎ দেশের মানুষের জন্য মহৎ কাজ করে যাচ্ছে। সরকার সন্ধানীর সব মহৎ কাজের সঙ্গেই থাকবে। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সভায় উপস্থিত স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিবদের যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, সন্ধানী এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৯০টি কর্নিয়া সংগ্রহ করেছে। তবে অনেকেই কর্নিয়া দানে অঙ্গীকার করলেও শেষ পর্যায়ে তা আর দিতে পারেন না। অঙ্গীকারকারীর পরিবারের বাধায় অনেক সময় কর্নিয়া পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। এ জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, স্বেচ্ছায় রক্ত ও চক্ষুদান কর্মসূচি আরও বেগবান করতে হবে। এ জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি পায় এমন কার্যক্রম বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাদানকারী কর্মীদেরও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ নিয়ে উদ্যোগী ভূমিকা রাখতে হবে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম। বক্তব্য দেন সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি তানভীর হাসান ইকবাল, সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির সভাপতি প্রফেসর ডা. মো. মোসাদ্দেক হোসেন সিদ্দিকী, মহাসচিব ডা. মো. জয়নুল ইসলাম প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত