যখন আমরা কোনো চাকরির জন্য ইন্টারভিউয়ের মুখোমুখি হই কিংবা কর্মক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কারও সঙ্গে কথা বলি, তখন স্নায়বিক দুর্বলতার কারণে নিজের অজান্তেই আমাদের আচরণে লক্ষণীয় কিছু পরিবর্তন দেখা দেয়। দৃষ্টিকটু এই আচরণগুলো কী জেনে নিন
নখ কামড়ানো দৃষ্টিকটু বদভ্যাস। যা আপনার ব্যক্তিত্বের দুর্বলতা প্রকাশ করবে।
কারও সঙ্গে কথা বলার সময় বারবার মোবাইল ফোন বা ঘড়ির দিকে তাকানো যা আপনার অনাগ্রহী মনোভাবকে প্রকাশ করবে।
কেউ কোনো কিছু জিজ্ঞেস করলে চোখের দিকে না তাকিয়ে অর্থাৎ ‘আই কন্ট্যাক্ট’ না করে উত্তর দেওয়া এর ফলে আপনার সম্পর্কে এক ধরনের বিরূপ এবং নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
কথা বলার সময় হাত মোচড়ানো কিংবা আঙুল ফোটানো। যা আপনার শ্রোতাদের মধ্যে অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি করতে পারে।
কর্মক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কারও সঙ্গে প্রত্যেকটি কথায় ‘ভালো বলেছেন’ বা প্রশংসামূলক মন্তব্য করলে আপনাকে নিজস্ব মতামত দিতে অপারগ একজন মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করবে।
ভ্রুকুটি করা বা ভ্রু কোঁচকানোর ফলে শুধু আপনার অসন্তোষই প্রকাশ পায় না, পাশাপাশি এটা আপনাকে কম বুদ্ধিসম্পন্ন হিসেবে উপস্থাপন করে।
অন্যের সামনে নিজের চুলে হাত দেওয়া দৃষ্টিকটু বদভ্যাস। চুল ধরার অভ্যাস ত্যাগ করতে চাইলে আপনি কিছু হেয়ার স্টাইল যেমন ফ্রেঞ্চ ট্যুইস্ট, বান অথবা স্মার্ট পনি টেলের আশ্রয় নিতে পারেন।
মতামত প্রকাশ করার সময় বারবার হুমম, আচ্ছা কিংবা লাইক শব্দগুলোর রিপিট করা আপনাকে অপরিপক্ব এবং অগোছালো হিসেবে উপস্থাপন করে।
অন্যের সামনে নিজেকে দুর্বোধ্য প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি হড়বড় করে দ্রুত কথা বলার মাধ্যমে নিজেকে ধৈর্যহীন এবং নিয়ন্ত্রণে অক্ষম হিসেবে উপস্থাপন করে।
