চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর কাট্টলীর একটি বাসায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট আগুনে দগ্ধ ৬জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় তাদেরকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়।
তারা হলেন- এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান (৩৭), তার স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা বিবি সুলতানা আক্তার মুন্নি (৩০), ছেলে ২য় শ্রেণির ছাত্র মোস্তাসিন ইবনে মিজান মাহের (৮), মেয়ে মানহা (১.৫), ভাই সাইফুল ইসলাম (২০) ও বোন সুমাইয়া আক্তার রেশমা (১৮)।
ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা.সামন্ত লাল সেন জানান, ছয়জনের মধ্যে মিজান ও সাইফুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে আইসিইউতে রাখা হবে। বাকিদের অবস্থাও গুরুতর।
বার্ন ইনস্টিটিউটে মিজানের চাচাতো ভাই নাসির উদ্দিন জানান, আগুনে দগ্ধ মিজানের মা পিয়ারা বেগম (৬০) চট্টগ্রাম হাসপাতালে মারা গেছেন। এছাড়া অন্য ২জন চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুর গ্রামে। গত বৃহস্পতিবার পিয়ারা বেগম তার চিকিৎসার জন্য মেয়ে সুমাইয়া ও সাইফুলকে নিয়ে ফেনি থেকে চট্টগ্রামে বড় ছেলে মিজানের বাসায় গিয়েছিল।
প্রসঙ্গত, রবিবার রাতে নগরীর আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলীর মুরাদ চৌধুরী বাড়ি এলাকার ছয়তলা একটি ভবনে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ওই ঘটনা ঘটে।
